কুবলয় বসুর কবিতা

টিনটিন সিরিজ

তীর ছুঁড়ে মারে আরামবায়ার দল। বিষে ভরা লতাগুল্ম, ক্যানোপি এড়িয়ে পা রাখছি আরেক জগতে। সহাস্য বৃদ্ধটি দূর থেকে হাত নেড়ে ফিরিয়ে দিচ্ছেন। রাস্তা ভুলে যাচ্ছি… ওহে রাস্তাপপুলাস! তোমার লুকোনো বিমানে আমাকে তুলে নাও…

কফিন খোলার পরে নিজেকেই দেখি। সমুদ্রে ভাসছি নির্জন দ্বীপের দিকে। ইউনিকর্ন জাহাজ এইখানে থেমেছিল? নাকি আরও পশ্চিমে দোলাব পেণ্ডুলাম! জলপ্রপাত সরিয়ে গুহামুখে যাই। স্বাগত জানিয়ে এগিয়ে আসেন প্রাচীন ইনকা রাজা।

গেরিলাবাহিনি দিয়ে আমাকে আটকে রেখেছিলে। বিপ্লব সহজ নয়। আমন্ত্রণের আড়ালে ফাঁদ পেতে বন্ধু পাঠিয়েছ। নেশার সামগ্রী দিয়ে ভেবেছিলে বানচাল করবে স্বপ্নের উড়ান। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরী হবার মুহূর্তে গুলির বদলে আচমকা ফুল ঝরে পড়েছিল। সৈনিকেরা মুগ্ধ হয়ে শুনছিল গেয়ে চলেছেন অক্লান্ত কাস্টাফিওর।

বাগানময় ঐশ্বর্য নিয়ে রোজ ঘুম ভাঙে। পিয়ানোবাদকের অভ্যস্ত রেওয়াজ ধাক্কা দেয় নকশাকাটা শার্সিতে, রোদ মেখে। জিপসিদের সঞ্চয় থেকে দু’টুকরো হাড় খুঁজে আনে অনুগত পোষ্য। এইসব নির্লিপ্ত জীবনগুলি স্ফটিক গোলক হাতে দূর থেকে পাহারা দিচ্ছেন রাস্কার কাপাক।

বরফ সাম্রাজ্যে আমাকে আগলে রেখেছিল পুরোনো শেরপা ও নাবিক। হলুদ স্কার্ফের চিহ্ন দেখে আমাদের অভিযান শেষ হয়েছিল মঠে এসে। স্বপ্নে ভর করে আমাকে খুঁজেছিলেন বৌদ্ধ লামা। তাঁর দিব্যদৃষ্টি বলে দিয়েছিল- ফিরে আসবেই মৃত বন্ধু, ভালোবাসা, স্নেহের অপার… বাইরের জগতের কাছে অবিশ্বাস্য সব প্রার্থনা, আশ্রয় এখানে বাতাসে ওড়ে।

Spread the love
By Editor Editor কবিতা 7 Comments

7 Comments

  • আশ্রয় এখানে বাতাসে ওড়ে! বাহ! বেশ অন্য স্বাদের। ভালো লেগেছে।

    শীর্ষা,
  • দারুন, দারুন…. ভেসে গেলাম যেন! বিনম্র শ্রদ্ধা কবিকে

    Kaushik Sen,
  • লেখাগুলি বেশ ভালো লাগলো

    Sudip Chattopadhyay,
  • বেশ ভালো. অন্যরকম.

    শতদল মিত্র,
  • দারুণ!

    Suman Ghosh,
  • টুকরো টুকরো ছবি কখন অখণ্ড হয়ে গেল। সময়চিহ্ন দারুণ। স্মার্ট কবিতা। অভিনন্দন জানাই।

    রবীন বসু,
  • Besh onno rokom .

    Monalisa,
  • Your email address will not be published. Required fields are marked *