লরেন্স ক্যারাদিনি’র কবিতা

ভাষান্তর: অনিমেষ সাউ

এবং আবার

সেই পাখিটা ফিরে গেছে।
আমি অপেক্ষা করছি,
আমি তার অভিলাষ,
সে আলের ওপর বসে আছে ,
বাম হাতের ওপর কিচির-মিচির করছে
স্বাধীনভাবে বসে থাকা একটা চড়াই ।

আমাদের পুনর্মিলনের যদি কোনো সময় থাকে

তবে এটাই ।

এখন।

***

লগবগে মাথা

ছোটো ভিনাইল কৌটো
এই পেয়ালা
এবং মটরশুঁটি।
গান ধরো-গাও-গাও
ওগো পেয়ারি,
বাগিচার কাঁটা,
আমাকে পড়ো
শহর নয়।
শহরতলী—
নদীর বাকে।       নদীর বাঁকে।

***

বাইর

এখানে যেখানে বাতাসে ঘোড়ারা ছোটে
সেই জানালা
এবং
অসংখ্য টেবিল
নুয়ে পড়া গাছ ও সারস
হাঁটুগুলো পেরিয়ে গেছে
চোখের সামনে কোনো ছাপ না রেখে
(অন্য এক স্বাদ)
আমার অভিলাষ
কেউ ভাঙছে না
একটা
হাত
অন্য
হাতে
তালি বাজাচ্ছে

***

বাহির

তারা হাঁটছে,
গাড়ি পাচ্ছে না।

তারা হাসছে,
কথা বলছে না।

আমাদের মধ্যে দিয়ে চলে গেল—

জ্যোৎস্নালোকিত ছায়া
সবেমাত্র এখানে পড়েছে

দেখছ।

***

দ্বিতীয় চেহারা

আমি
মনেকরি
সে
ভোজন রসিক
কিন্তু আমি অনেকক্ষণ তাকিয়ে দেখেছি
একটা
ইতর।

কবি পরিচিতি:

18 April 1953, নিউইয়র্কে জন্মগ্রহণ করেন Lawrence Carradini. জীববিদ্যায় স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর। Bouillabaisse, The Boston Poet, The Cafe Review-এর মতো বিখ্যাত পত্রিকায় তাঁর কবিতার প্রকাশ। বিভিন্ন কবিতা সংকলন যেমন— Dialogue Though Poetry-2001, Concept#3-তে তাঁর কবিতা সংকলিত হয়েছে। সম্প্রতি Contemporary Foreign Literature নামক জার্নালে তাঁর কবিতা চীনা ভাষায় অনূদিত হয়েছে। VB Documentation Enterprise থেকে মুদ্রিত হয়েছে তাঁর কাব্যগ্রন্থ BURNING HEADS। পরবর্তী সময়ে Lowell-এর বাসিন্দা Carradini, Lowell Celebrates Kerouac-এর পরিচালন সমিতির সভাপতি পদে নিযুক্ত ছিলেন।

Spread the love

4 Comments

  • প্রতিটি কবিতাই ইঙ্গিতময়।
    ছোটো কিন্তু অনেকদূর পর্যন্ত ভাবায়।
    অনিমেষ সাউকে ভালোবাসা, এই কবির কবিতা প্রথম তাঁর অনুবাদেই পড়লাম।

    Ranajit,
  • অনেক শুভেচ্ছা অনিমেষ কে।

    Debnath,
  • কবিতা পডে বেশ আনন্দ পেলাম।খুব পাখির ডানার মতো ভেসে ভেসে চলে যাচ্ছে। সুন্দর সংকেত ধ্বনি। বাংলা উচ্চারণে বেশ বেজেছে। তবে ইংরেজি কবিতা আগে পড়িনি।
    অনিমেষকে ধন্যবাদ।

    Sunil Maji,
  • খুব ভালো লাগলো প্রতিটি কবিতাই। ভালো অনুবাদ করেছেন অনিমেষ।

    জা তি স্ম র,
  • Your email address will not be published. Required fields are marked *