Categories
গল্প

শতানীক রায়ের গল্প

আয়না

অনেকদিন পর রাতের খোলা আকাশের তলায়, সপ্তর্ষি-মণ্ডলের তলায় তারা দেখতে দেখতে শুয়ে আছি। এই শোয়া আমার কাছে আশীর্বাদের মতো। জীবনে আমি একা হতে চেয়েছি বহুবার। বহুবার চেয়েছি সব ছেড়ে দিয়ে এমন এক নির্জনে বাস করব যেখানে কেউ আমার গতিবিধির উপর নজর রাখবে না। আমার নাম ধরে কেউ ডাকবে না, আমাকে কেউ শিল্পী বলে সম্বোধন করবে না। বারবার একা হওয়ার চেষ্টায় আঘাত পেয়েছি। আঘাতের পর আঘাত। এমনভাবে ঝুঁকে পড়া পৃথিবীর উপর চাঁদ তারা নক্ষত্র সবই কেমন বিশাল করে তুলেছে আজ আমাকে। নিষ্পলক তাকিয়ে আছি। এতদিন পর বুঝতে পারছি। এখানে যা কিছু আছে সবই আমার আপন। কোনো মানুষ নেই আর যেখানে মানুষ নেই সেখানে আমারই মতন একজন ছায়া আছে যাকে কেউ মাড়িয়ে যাবে না। কেউ না…

এত বছর চেষ্টা করেও একটা ঠিকঠাক ছবি আঁকতে পারিনি। যতবার আঁকতে চেয়েছি আমার পরিবার, মা, বাবা, বন্ধু, বান্ধবী, দাদা, দিদি সবাই— একটু একটু করে আমার সামনে আয়না তৈরি করে গিয়েছে। আমি একটু একটু করে লক্ষ করে গেছি আয়নাটা বড়ো হতে থেকেছে আমার সমান অবধি। একটু একটু করে নিজের শরীরটা আমারই কাছে প্রতিবিম্বিত হতে থেকেছে। আমি দেখতে থেকেছি আবিষ্কার করে চলেছি। টুকরো আয়নাগুলোকে। আয়নাকে আবিষ্কার করেছি না, আয়নার বৈশিষ্ট্যকে। হয়তো আয়নার বৈশিষ্ট্য আবিষ্কার করার নেশায় আবিষ্কার করতে চেয়েছি সেই প্রতিবিম্বকে। সেই শরীরটাকে আবিষ্কার করে গেছি বারবার… শরীর নয় কি?

আমি চিরকাল যে-চিত্রটা আঁকতে চেয়েছি তা আমাকে আঁকতে দেওয়া হয়নি। এই জল, এই বাতাস, এই আগুন, এই মাটি আর শূন্যতা আমাকে অধিকার করে রেখেছে। আমাকে নিয়ন্ত্রণ করেছে একটি পাখি। সে ডেকেছে আমাকে প্রতিটা সন্ধিক্ষণে। প্রতিটা মুহূর্তে আমাকে অধিকার করতে চেয়েছে। আমার কাছে দাবি করেছে। আমি আশ্রয় আর খাদ্যের যোগান দিয়ে গেছি তাকে আর একটা সময় সে ছেড়ে গেছে ওর আপন দুনিয়ায় আর ফেরেনি। ঘরময় পালক রেখে গেছে। বাসাও রেখে গেছে। সন্তানদের খোলস রেখে গেছে। খড়কুটো আর নানা জায়গায় তার পায়ের ছাপ বিষ্ঠার দাগ রেখে গেছে। সেইসব দাগ একটা সময় মুছে গেলেও আমি মুছে যাইনি। আমি পাখির মতো যাপনকে লালন করে গিয়েছি বহুদিন। যুগের পর যুগ শুধু ভেবে গেছি সে হয়তো উড়তে উড়তে একদিন ফিরে আসবে। তার প্রতি কোনো ক্ষোভ নেই আমার। আমার যত ক্ষোভ আমার ওপর। সে আশ্রয় আর খাদ্য চেয়েছে শুধু। আমিই নিজের সৃষ্টি থামিয়ে ওর জুড়ে দেওয়া আয়নায় বারবার মুখ দেখে গেছি শরীর দেখে সময় পার করে দিয়েছি। আমি বারবার ছোট্ট আয়নাটাকে লালন করতে করতে ভুলে গেছি, আমি যে আঁকতে বসেছিলাম। আঁকতে গিয়ে ফিরে ফিরে খুঁজেছি সেই পাখিকে। সহজাত হয়ে গিয়েছি। ভুলে গেছি, কীভাবে আঁকতে বসেছিলাম আর কেন। কী জন্য আমাকে আয়না হয়ে যেতে হয়েছে আয়নার সামনে। আয়নার সামনে আমি নিজেই আরও একটা আয়না হয়ে গেছি। আঁকা আর হয়ে ওঠেনি…

আমি আবার, একটা সময় আঁকতে বসেছি, ঠিক সে-সময় মা এল ঘরে। মা অনর্গল কথা বলে গেল। কথা বলতে বলতে মা পালটে গেল। কত বছর ধরে যে কথা বলতেই থেকেছিল মনে নেই। তখন আদৌ কি সময় বলে কিছু ছিল? মনে পড়ছে, তখন ছোটো হয়ে গিয়েছিলাম অনেকই ছোটো, ঘুরে বেড়ানোর মতো করে মায়ের কথাগুলো শুনতে হচ্ছিল আমাকে। আমাকে কোনো উত্তর না করে শুনে যেতে হচ্ছিল। এই পৃথিবীর সমুদ্র তখন কেমন চুপ করে গিয়েছিল। গভীর রাত করে এসেছিল। প্রাণে প্রাণে তখন শুধুই মৃত্যু নয়তো জন্মের আদান-প্রদান চলছিল। তবে মা কিন্তু কথা বলে চলে ছিল। অনর্গল কথা। যেমন প্রতিটা জীব সঙ্গম করে চলে আজীবন। আজীবন খাদ্য গ্রহণ করে চলে। আজীবন জল পান করে। একই কাজ করে রোজ। একই কথা বলে। একই পাথরের সামনে বসে নতজানু হয়। মা তবুও কথা বলে গেছে। আমি তখন আস্তে আস্তে আরও ছোটো হয়ে গেছি। আমি আরও ছোটো হয়ে মায়ের স্তনের কাছে নাভির কাছে বসে উপরের দিকে দেখেছি, মা কথা বলে গেছে, মায়ের মুখ কথা বলে গেছে, মায়ের ঠোঁট, জিভ, মাংসপেশি, মস্তিষ্ক সবকিছু কথা বলে গেছে। সময় বলে কিছু ছিল না তখন। আঁকার কথা ভুলে গিয়ে কথা শুনে গিয়েছি। অনর্গল কথা। গঙ্গা যেমন বহু যুগ বয়ে চলেছে। বহু যুগ বহু কাল ধরে মায়েরা শাবককে যেমন অনর্গল স্তনপান করে চলে। মা কথা বলে গিয়েছে। কত কথা বলে গিয়েছে। আমি আঁকতে বসতে পারিনি… আঁকতে ভুলে গিয়েছি আমি…

এত বছর পর এই কালো নিকশ কালো ব্রহ্মাণ্ডের তলায় শুয়ে আছি। আমার কাউকে কোনো কিছু বলার নেই। কারো জন্য কোনো শোক নেই। কোনো পাখিকে কোনো মর্যাদা দেওয়ার নেই। এখন এই ঘুমন্ত পৃথিবীর ঘাসের কাছে শুয়ে শুয়ে পোকার চলন শুনতে চাই। শুনতে চাই মাটির তল দিয়ে কেমন পাতালে গঙ্গা বয়ে চলে। কেমন করে এই পৃথিবী তার রং আড়াল করে। কেমন করে মৃত্যুর পর শরীর মাটি হয়ে যায়। আবার মাটিটাই শরীর হয়ে ওঠে ধীরে ধীরে। আমার আগ্রহ আছে পালকগুলোর কাছে, আগ্রহ আছে ঝরে পড়ার ইতিহাসের কাছে। কেমন করে কোন পাখি এই পৃথিবীর গাছে ডিম পেড়েছিল। কেমন এই মাটির উপরে একটি একটি করে সমস্ত হাঁসেরা হেঁটে গিয়েছে জলে। কেমন করে মানুষ হাঁটতে শিখেছে। কেমন করে পাখি উড়ে গেছে একটি গাছ থেকে অন্য গাছে। কেমন করে এই মাটিতেই রক্তপাত হয়েছে। কেমন করে আমার সমস্ত পূর্বপুরুষের একটু একটু রক্ত আমার শরীরে প্রবাহিত হচ্ছে। কেমন করে সমস্ত পাপ বহন করে চলেছি আমি। কেমন সব আকর আকর বই লেখা হয়েছে এই পৃথিবীতে। এই সমস্ত ঘাস নিয়ে কেমন করে খেলেছে শিশুরা। কেমন করে একটা জীব অপর জীবকে ভক্ষণ করেছে। কেমন সব অক্ষর তৈরি হয়েছে। অক্ষরের পিঠে অক্ষর চেপে দৃশ্য চেপে অর্থ তৈরি হয়েছে, কেমন করে আবার শব্দও তৈরি হয়েছে, সেই শব্দ সেই অক্ষর তৈরি হওয়ার আগে কেমন করে ধ্বনি তৈরি হয়েছে। কেমন করে আমিই তৈরি হয়েছি সেই ধ্বনি ধ্বনিত করার জন্য। কেমন করে আমি তৈরি হয়েছি। কেমন করে আমি কথা বলতে পেরেছি। কেমন করে আমি সঙ্গম করতে পেরেছি। কেমন করে আমি গাছ কাটতে শিখেছি। কেমন করে আমার সমস্ত কথা মাটির পোকাগুলো শুনতে শিখেছে। আমিই-বা কেমন করে বুঝতে শিখেছি নিজেকে। এই এখন আমি একা শুয়ে আছি। শরীরে শুধু ঘাস লেগে আছে। আমাকে সেই ছবিটা এঁকে ফেলতে হবে যেটা এখনও আঁকা হয়ে ওঠেনি।

আমি আঁকতে বসেছি ঠিক এমন সময় একটি বেড়াল ঘুরতে ঘুরতে এল। খুবই ছোটো। খাবার চাইল শুধু। আদর চাইল। বাবা প্রশ্রয় দিল খেতে দিতে শুরু করল দু-বেলা। তারপর সে আমার কাছে ঘোরাফেরা শুরু করল। তখন সবে আমি আঁকতে বসেছি। আমি জানি আমাকে এঁকে ফেলতে হবে। আমাকে আমার সবকিছু দিয়ে একটি চিত্র আঁকতে হবে। তবে সে চলে এল। আর সে আসার পরে আমি আঁকার কথা ভুলে গেলাম। সে এল। আমার কাছে এল। এবার আমার কাছে খেতে চাইল। আমার কাছে আদর চাইল। আমি আদর দিলাম, আমি খেতে দিলাম। সে আরও খেতে চাইল আরও আদর চাইল। আমি আরও ভুলে গেলাম। আমি আঁকতেই ভুলে গেলাম। সে আয়না আরও বড়ো করল আমি মুখ দেখতে থাকলাম। আমি কথা বলতে থাকলাম। আমি প্রতিবিম্ব হয়ে উঠলাম। আমি বড়ো হয়ে উঠলাম। আমি গাছের সঙ্গে কথা বলতে শুরু করলাম। সে তখন আরও বড়ো হল। সে সঙ্গম করতে শিখে গেল। সে আরও বড়ো হল। আরও আদর চাইল। আরও খাবার চাইল। আরও ভুলিয়ে দিতে চাইল আঁকাটাকে। আমি ক্রমাগত আরও দেখতে থাকলাম। আয়নাটাকে আরও দেখতে থাকলাম। আমি আঁকতে ভুলে গেলাম। সে আরও বড়ো হল আর হঠাৎ উধাও হয়ে গেল। আমি খুঁজতে থাকলাম তাকে। খুঁজতে খুঁজতে আমি আঁকতে ভুলে গেলাম…

আমি আবার আঁকতে বসলাম। পেছন থেকে কেউ যেন ডাকল। আমি পেছন পেছন গেলাম। ওই জঙ্গল থেকে কেউ যেন ডাকল কেউ ডেকেই চলল। আমি আঁকা ছেড়ে খুঁজতে লাগলাম। আমি শিশুর মতো মাকে খুঁজতে থাকলাম। আমি চাঁদের মতো সূর্যের আলোকে খুঁজতে থাকলাম। আমি আরও খুঁজতে থাকলাম। পিঁপড়ের বাসা খুঁজতে থাকলাম। সেই ডাকটাকে খুঁজতে থাকলাম। এই মহাবিশ্বে কে কোথা থেকে আমাকে ডাকছে কে অনবরত ডেকে চলেছে। আমি হেঁটে চললাম। জঙ্গলে আমি গাছে গাছে কান রেখে খুঁজতে থাকলাম। আমি সবকিছুর ভেতর খুঁজতে থাকলাম। এই পৃথিবীর সমস্ত শিশুর মুখে খুঁজতে থাকলাম। আমি রক্তের ভেতর রং খুঁজতে থাকলাম। আমি প্রত্যেকটা মানুষের বুকের ডাক শুনতে থাকলাম। আমি শুনতে থাকলাম আমি পেছন পেছন যেতে থাকলাম। সব কিছুর ভেতর আমি ডাক শুনতে থাকলাম। আমি শুনতে শুনতে, আমি খুঁজতে খুঁজতে, আঁকতে ভুলে গেলাম।

আমি এই এতদিন পর শুয়ে আছি একা। আমাকে আজই এঁকে ফেলতে হবে। আমাকে আজই এঁকে ফেলতে হবে। আমাকে আজই আঁকতে হবে সেই মুখ। সেই শব্দ আমাকে আজই আঁকতে হবে। আমি কথা বলে চলেছি একা একা। আমার কিছুই ছিল না বলার তবুও বলে চলেছি। আমার মাংসের সঙ্গে আমি কথা বলে চলেছি। আমি এই পৃথিবীর সমস্ত ধর্মগ্রন্থে কী কী আছে সব জানতে চাইছি। আমি আজ শুয়ে আছি। আমি আজ এতবছর পর একা শুয়ে আছি। কোনো কিছু নাই। আকাশে এখন চাঁদও অনেকটা ঢেকে এল মেঘে, তারাগুলোও গা ঢাকা দিল। তবুও আমাকে এই নির্জনে শুয়ে কথা বলে যেতে হবে। আমাকে কথা বলে যেতে হবে। আমাকে আজই এঁকে ফেলতে হবে।

আমি আঁকতে বসেছি আবার এমন সময়ে একটি গাছ লাগানো শুরু হল। এমন এক পবিত্র বৃক্ষমুহূর্তে আমি হাত পা মেলে সমর্পণ করলাম। আমি আঁকতে ভুলে গেলাম। এমন বৃক্ষহীন সময়ে গাছটাকে দেখতে লাগলাম। তাকে রোপণ করা হল। গাছটাকে জল দেওয়া হল। মাটি সরস করা হল। মাটিতে ভালো করে জল দেওয়া হল। গাছটা আস্তে আস্তে নড়ে উঠল। আস্তে আস্তে সময় বলে কিছু থাকল না আমি জেগে থাকতে লাগলাম। দেখতে থাকলাম কেমন করে খাদ্য গাছের সঙ্গে মিশে আরও পাতা হচ্ছে। কেমন ছাল থেকে হচ্ছে পাখি। গাছ আস্তে আস্তে আরও বড়ো হতে লাগল। আমি সেই গাছটার বেড়ে ওঠা দেখতে থাকলাম। গাছটা বড়ো হল। আরও বড়ো হল। আমি আঁকতে ভুলে গেলাম।

আমি এই এতদিন পরে ঘাসের উপর একা শুয়ে আছি। আমি আঁকতে চাইছি। শীঘ্রই এঁকে ফেলতে হবে আমাকে। আমার আর কিছু বলার নেই কাউকে। আমার চাওয়ারও কিছু নেই। এই সব কিছু আমাকে ফেলে রেখে এঁকে ফেলতে হবে। আমাকে এঁকে ফেলতে হবে সমস্ত গন্ধ। এই পৃথিবীর মাটির তলার সব কথা আমাকে এঁকে ফেলতে হবে। এই এত দিন এত বছর পর একা বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে শুয়ে আছি। কোনো আয়না নেই। কেউ নেই। আয়না রেখে এসেছি। আমি ফিরে এসেছি আজ নিজের কাছে আমাকে আজ সেই আঁকাটা এঁকে ফেলতে হবে। এই অক্ষরমালার ভেতর আঁকতে হবে আমাকে। এঁকে ফেলতেই হবে…

11 replies on “শতানীক রায়ের গল্প”

বেশ লাগল। একটা সন্ধান, একটা তাড়নার গল্প।

এই গল্প সেই মানুষের যে প্রাঞ্জল অথচ দহনে ভরা।

আমাকে এঁকে ফেলতে হবে সমস্ত গন্ধ…অসম্ভবের ছন্দে তোলপাড় যাপন… দর্পনে মুগ্ধ নার্সিশাস।
অন্য ঢেউ।আদাব।

যে আঁকা হয়েই আছে এই আমির ভেতর,তাকে নতুন করে খুঁজতে চাওয়া।নতুন করে চিনতে চাওয়া।নতুন করে বুঝতে চাওয়া প্রতিটি রেখা,প্রতিটি রং।খানিকটা নিজের প্রেমে পড়া।আর অনেকটা আত্মবীক্ষণ।নিজেকে চিনতে গেলে আরও একা হতে হয়।একা হতে হতে বিন্দুতে ব্রম্ভান্ড খুঁজে পাওয়ার আনন্দ যেদিন পাবে সেই ‘আমি’ সেদিনই নিজেকে আঁকা শেষ হবে,তবু সেই বিন্দুকেও জানা চাই।সেই বিন্দুতে মিশে যাওয়াও চাই।বাকিটুকু তারপর জানা হবে কিনা জানা নেই,যদিও সেটুকু নগন্য,দরকারও নেই হয়ত, কারণ সে জানার আগেই মুক্তির যোগ্যতাস্তর পেরিয়ে যাবে সেই আমি।সৃষ্টি আর স্রষ্টার মধ্যে পার্থক্য ঘুচে যাবে তখন।তবু “আপনাকে এই জানা আমার ফুরোবে না”…

পড়লাম। ভাবনার দুর্দান্ত প্রকাশ ঘটেছে। সৃষ্টি, যন্ত্রনা, সৃজন আর শিল্পীর অস্থির অতৃপ্তি খুব সুন্দর ভাবে উঠে এসেছে। বিষয়ের গভীরতার জন্য তোমার লেখা আমার পছন্দ হয়।

লেখাটি বেশ ভালো লাগলো। কিছু অবজেক্টের মধ্যদিয়ে ভাবনার ত্বরণ ঘটেছে, নির্দিষ্ট আকাঙ্ক্ষার চারপাশে এসেছে বৈচিত্র্যময় পরিবেশ। এ লেখার সবথেকে বড় বৈশিষ্ট্য সততা। শুধু, ভাষার সরল গতি যদি মাঝে মাঝে আঁধারস্থিত জোনাকির মতো বাঁক নিত, তাহলে আলোছায়ার খেলা আরও মনোহর হত, তিবে একথাটি আমি সভয়ে লিখলাম, কারণ, আমার এই ধারণা ভুলও হতে পারে, তুমি হয়তো এই বাকপ্রতিমাই চেয়েছিলে। যাইহোক, এরকম লেখা আরও আশা করব। অপেক্ষা করব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *