সেলিম মণ্ডলের গল্প

কুকুর

মেঘলা আকাশ। বৃষ্টি যেকোনো সময় তেড়ে আসতে পারে। আসলে মন্দ হয় না। ক-দিন ধরে গুমোট আবহাওয়া। শরীর হাঁসফাঁস করছে। রোদ-বৃষ্টি-ঝড় যাইহোক অনি নিয়ম করেই বইপাড়ায় আসে। কাজ থাকুক বা না-থাকুক। কফিহাউস ঢুকতে ওর বিরক্ত লাগে। কলেজ স্কোয়ারের ভিতরটাতেই বসে। অনির ভালোলাগে মানুষজন পর্যবেক্ষণ করতে। তিন থেকে তিরাশির কত মানুষজন! কেউ কেউ আসে পাঁচ থেকে পনেরোর ছেলেমেয়েকে নিয়ে সাঁতার শেখানোর জন্য। অবসারপ্রাপ্ত বুড়ো-বুড়িরাও আসে সান্ধ্যআড্ডায়। আর প্রেমিক-প্রেমিকা বা বন্ধু-বান্ধবী? শহরের এমন একটা পার্ক থাকলে কেউ কি পারে তা অবহেলা করতে?

ভাইয়ের বউ ঠকাচ্ছে। বোন বোঝাচ্ছে। নাহ্‌, ওই মেয়ে তোর জন্য নয়। অফিসের কলিগের সঙ্গে বাইরে সময় কাটায় আর দু-দিন অন্তর ঝামেলা করে বাপের বাড়ি চলে যায়। কতবার মানিয়ে নিবি? চোখের জল ফেলবি? মেয়ে কি তোর একার? মা যদি এতটা পাষাণ হয়, তুই কেন এমন চুপচাপ থেকে নিজে কষ্ট পাবি? অনি টানা বেঞ্চের তিন নম্বরে বসে চুপচাপ শোনে। সম্পর্ক একটা দোলনা। সবসময় যেন দুলতে থাকে। দড়ির গিঁট আলগা হলেই ছিঁড়ে যাবে। অনির কিছু বলতে ইচ্ছে করছে। কিন্তু কাকে বলবে? কেন বলবে? এই তো, এখানেই দু-তিন দিন আগে একটা কাপল জড়াজড়ি করে বসেছিল। মানে ছেলেটা তার ডানহাত দিয়ে মেয়েটার গলাটাকে শক্ত করে ধরেছে। চুমুটুমু কিছু খায়নি। চার নম্বরে বসে থাকা এক দাদু ফোঁস করে ওঠে। লজ্জা-শরম নেই? তোমাদের বয়সি আমার ছেলে আছে। সেও আসে এখানে। আমি তো দেখিনি এমন নির্লজের মতো ঢলাঢলি করতে? ওইদিন অনির ইচ্ছে করছিল, দাদুকে দু-কথা শুনিয়ে দিতে। ছেলে যদি বাবার সামনেই ঢলাঢলি করবে তাহলে পার্ক কেন? শহরের এই মানুষগুলো কেন এত নিষ্ঠুর! ছুঁয়ে থাকার প্রশান্তিতে কেন এত বিষবাতাস? অনি মাঝেমাঝে ভাবে, শহরে কোনো ডাস্টবিন নেই। যেখানে মানুষ তার হিংসা, রাগ, ঘৃণা ফেলে আসবে। অথবা, এতটাই ভর্তি হয়ে গেছে। উপচে উঠছে আর তার দুর্গন্ধ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ছে।

 

চারজনের টানা বেঞ্চ। অনি কখনও বসে দুই, কখনও তিন কখনও বা চার নম্বরে… অনি এক নীরব শ্রোতা। দুনিয়াটা ক্রমশ একটা শামুকের খোলের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে। এই ছোট্ট দুনিয়াতে কেউ কারও দিকে তাকায় না। সকলে নিজের নিজের অন্ধকারে নিজেকে সম্রাট করে তোলে। এখানে আলোর শাসন বড়ো চোখে লাগে।

 

মেঘলা আবহাওয়া। অনি একাই বসে আছে। তিনটে সিট খালি। দু-কাপ লেবু চা খেয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে। ক-দিন ধরে অপেক্ষা করে থাকে সান্ধ্যভ্রমণে আসা একটি মেয়ের জন্য। মেয়েটিকে কি অনি ভালোবেসে ফেলেছে? জানে না। দু-দিন মাত্র দেখা হয়েছে। ওই চোখাচোখি। কী মায়া, জানে না। মেয়েটি যখন সাদা বুলডগ নিয়ে লাল স্নিকার পরে দৌড়াতে দৌড়াতে সামনে দিয়ে যায় ওর ভালো লাগে। গুমোট আবহাওয়ায় ভিতরে বাতাস পায়। কানে হেডফোন। কালো টি-শার্ট। নীল ট্রাকস্যুট। লাল স্নিকার। মাঝারি চুল। শ্যামবর্ণ গায়ের রং। পাঁচ ফুট চার ইঞ্চি মতো উচ্চতা। মেয়েটির মতো তার কুকুরটিও খুব সুন্দর। অনির ইচ্ছে করে আদর করতে। মাত্র দু-দিনই দেখেছে। এতেই অদ্ভুত টান। দু-দিনই ছিল শুক্রবার। সময় সাড়ে পাঁচটাতে। পরপর দু-সপ্তাহ দেখা হবার পর, পরের দু-সপ্তাহ আর দেখা হয়নি। অনি বসে বসে ভাবে মেয়েটি কি আর আসবে না? না এখন অন্যদিন অন্যসময় আসে। মনখারাপ নিয়ে বসে থাকে। ঘড়ির কাঁটা পৌনে ছ-টা ছুঁই ছুঁই। মেঘাচ্ছন্ন আকাশ। আজ আসার আর চান্সই নেই। অনি অপেক্ষা করছে আরেকটা লিকার চা’য়ের জন্য। সেটা খেয়েই উঠে যাবে। আজ ওর ইচ্ছাও করছে না পুরানো মার্কেটে ঢু মারি। চা আসতে লেট করছে। পকেট থেকে মোবাইল বের করেছে। ফেসবুক বা হোয়াটস্‌অ্যাপ খুলে মেসেজ-নোটিফিকেশন দেখে নেবে…  ‘দু’টাকা দাও না’ বলে হাফ প্যান্ট পরা, খালি গা দু’টো বাচ্চা এসে হাজির। ওদের মধ্যে একজন পাশে বসে পড়ল।

— নৌকার ছবিটা আরেকবার দেখাও না।

অনি চুপ করে আছে। কোথায় আবার, ওরা নৌকার ছবি দেখল! কিছুই বুঝতে পারছে না। আশ্চর্যের ব্যাপার কাছে আসতে আসতে ছেলেটি প্রায় কোলে এসে বসল।

— ছবিটা একটু দেখাও না।

— নৌকার ছবি কোথায় পেলি?

— তোমার মোবাইলেই তো আছে। আলোটা জ্বালাও আমি দেখাচ্ছি।

 

অনি প্রথমে বুঝতে পারেনি। পরে মনে পড়ে, মোবাইল স্ক্রিনের ব্যাকগ্রাউন্ডেই তো জলঙ্গীপাড়ের ছবি আছে। তাতে মাঝনদীতে একটি নৌকা ভাসছে। স্ক্রিনের লক ছাড়িয়ে, এই ছবিটা? বলতেই ছেলেটি হাত থেকে মোবাইলটা কেড়ে নিজের হাতে নেয়। মনোযোগ দিয়ে দেখতে থাকে। আরও ‘দেখাও না’ বলে জোর করতে থাকে। অনি গ্যালারি থেকে একের পর এক ছবি দেখাতে থাকে।  এরপর মোবাইল আর অনির নিয়ন্ত্রণে থাকে না। ছেলেটি নিজেই একের পর এক ছবি, আঙুল দিয়ে সরিয়ে সরিয়ে দেখতে থাকে। শুধু নৌকা, নদী নয়। অনির মোবাইলে তোলা জঙ্গল, পাহাড়, ইটভাঁটা, স্টেশন থেকে শুরু করে প্রাক্তন গার্লফ্রেন্ডের ছবিও দেখে নিয়েছে। বারণ করবে তারও উপায় নেই। দু-জন এত কৌতূহল নিয়ে দেখছে! অনি যে বিরক্ত হচ্ছে না তা নয়। কিন্তু কিছু বলতে পারছে না। অনি এবার মোবাইল হাতে নেওয়া ছেলেটিকে জিজ্ঞাসা করল,

— তোর নাম কী?

— আমার নাম আসিফ। আমার আরও অনেকগুলো নাম আছে। স্বাধীন, মুক্তি, বাদশা… ওর নাম কী জানো? ওর নাম সংগ্রাম।

— বাহ! তোদের নামগুলো তো খুব সুন্দর। থাকিস কোথায় তোরা?

— মেডিক্যাল কলেজ চেনো? ওর সামনের রাস্তায়। আমরা একজায়গাতেই থাকি।

— স্কুলে যাস না?

— যাই তো। পুরবীর কাছে মিউনিসিপালিটির স্কুলে যাই। আমি এবারে ভর্তি হয়েছে। আর, ও আগেরবার।

— তোরা স্বাধীন, মুক্তি, সংগ্রাম এই শব্দগুলোর মানে জানিস।

কিছু বলল না। বুঝলাম জানা নেই এদের। বয়সের তুলনায় একটু দেরিতেই ভর্তি হয়েছে। এখনকার  বাচ্চারা ‘মা’ বলতে শিখলেই, বাবা-মা পিঠে তার থেকে বেশি ওজনের ব্যাগ চাপিয়ে স্কুলে পাঠাতে শুরু করে। এদের একজনের বয়স সাত-আট, আরেকজনের নয়-দশ হবে। প্রাইমারিতে পড়ার বয়স হয়ত পেরিয়ে গেছে ঠিকই। কিন্তু যাদের দু-বেলা মুখে ভাত ওঠে না, তাদের বয়স কোন পাল্লায় মাপবে?

— তোদের বাড়িতে কে কে আছে?

— সংগ্রামরা চার ভাইবোন। সংগ্রাম মেজো। আমরা ছয়-ভাইবোন। আমি সেজো।

— তোরা স্কুলে যাস। পড়াশোনা করিস। তবুও সবার কাছে টাকা চেয়ে বেড়াচ্ছিস কেন?

— আব্বা-মা’ই বলেছে টাকা নিয়ে আসতে।

আসিফ নিজে থেকেই গড়গড় করে বলে চলেছে তাদের পরিবারের গল্প। তাদের গ্রামের বাড়ি জয়নগর। ওখানে ওর দুটো বড়ো বোন, ফুপু আর দাদি থাকে। মাঝেমাঝে তারা যায় গ্রামের বাড়িতে। ওর খুব ভালো লাগে গ্রামের বাড়ি। ও আসতে চায় না। দাদির কাছে গ্রামের বাড়িতে থাকতে চায়। কিন্তু ওর আব্বা-মা এখানে এনে রাখে। শেষবার একমাস থেকেছিল, ওর মুসলমানির জন্য।

— জানো, আমার মুসলমানিতে দুটো সোনার চেন। অনেকক’ টা রূপোর চেন পড়েছে। একটা সোনার চেন, দাদি আমাকে দিয়েছে। আরেকটা নানি দিয়েছে। দাদি আমাকে গেলেই টাকা দেয়। একবার কী হয়েছ জানো, দাদি ঘর খুলে ফুপুর বাড়িতে গেছে। আব্বা, দাদির ব্যাগ থেকে ছ’শো টাকা চুরি করেছিল। আমি দেখে ফেলেছিলাম।

আব্বা বুঝতেই পারিনি।

— তোর আব্বা কী করে?

— আব্বা লেবুর রস বেচে। কখনও কখনও ভ্যানও চালায়। জানো আব্বা মা’কে খুব গালাগালি করে। মারেও।

আসিফকে কিছু জিজ্ঞাসা করতে হচ্ছে না। একের পর এক গল্প শুনিয়ে চলেছে। অনিকে উঠতে হবে। শিয়ালদা থেকে ট্রেন ধরে ফিরবে। আকাশ ক্রমশ আরও কালো হয়ে উঠছে। ছাতা নেই। তাছাড়া যদি লাইনে কোনো কোনো গাছ-টাছ পড়ে রাতে ফিরতে তার অবস্থা খারাপ হয়ে যাবে। অনি ইচ্ছে করছে করছে, দশ টাকা দিয়ে বলতে কিছু খেয়ে নিস। আমাকে উঠতে হবে। না ও বলতে পারছে না। হঠাৎ, ছেঁড়া হাফপ্যান্টটা খুলে, পাছা দেখিয়ে আসিফ বলল,

— এই দেখো কুকুরে কামড়েছে। এর আগেও তিনবার কামড়েছে।

—  সেকি!!! কখন কামড়াল?

— আজ সকালে।

— ডাক্তার দেখিয়েছিস?

— আব্বা বলেছে, কাল নিয়ে যাবে।

বলতে না বলতেই পাশ থেকে সংগ্রাম বলল, ‘আমাকেও দু’বার কামড়েছিল আগে’। এদের কাছে কুকুরে কামড়ানোটা কোনো ব্যাপারই না। পিঁপড়ে কামড়ানোর মতো যেন সামান্য ব্যাপার।

না, অনি আর ওঠেনি। ঝিরঝির বৃষ্টি নেমে গেছে। চেয়ার ছেড়ে একে এক উঠে পড়ছে চারিপাশের লোকজন। অনি ভিজছে। ভিজতে ভালো লাগছে। ও চাইছে বৃষ্টি আরও জোরে নামুক। ব্যাগের রেনকভারটা লাগিয়ে নিয়েছে। ব্যাগ ভিজবে, সে চিন্তাও নেই। কিন্তু বাতাস মেঘকে ক্রমশ বইপাড়া থেকে তাড়িয়ে শ্যামবাজারের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। ভেজা হল না। দু-চার ফোঁটা জল গায়ে লাগানো হল কেবল।

 

কলেজ স্ট্রিট এলে অনির খুব আসিফ, সংগ্রামের কথা মনে পড়ে। ও ভুলেই গেছে মেয়েটির কথা।  অনেকদিন কেটে গেছে, অনি আগের মতোই একা একা বসে থাকে। কারো দেখা পায় না।

সেদিন ছিল শুক্রবার। কলেজ স্কোয়ার বড়ো ফাঁকা। কোনো ছুটির দিন নয়। কোনো দল হরতালও ডাকেনি। কেন জানি না, অনির মনে হচ্ছে সকলে মিলে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। আকাশে মেঘ নেই। সাঁতার শেখার দল বা পায়চারি করার লোকজন অমিল। সারি সারি কালো কাক পুকুরের উপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছে। গালাগালি করতে করতে পার্কের এপার থেকে ওপার করছে অর্ধনগ্ন এক পাগলি। ও কাকে গালাগালি করে, কেন গালাগালি করে কেউ জানার চেষ্টা করছে না। এই দৃশ্য নিত্য আসা লোকেদের সয়ে গেছে। অনিরও। আজ খুব কানে লাগছে। গালাগালির সঙ্গে তীব্র চিৎকার করছে। মনে হচ্ছে, চারিপাশ কাঁপছে। এই বুঝি ভূমিকম্প হল। অনির সহ্য হচ্ছে না।

শোনা যায়, মহিলা একসময় হাইকোর্টের উকিল ছিলেন। পারিবারিক কোনো অত্যাচার বা ষড়যন্ত্রে আজ এই অবস্থা। আজ একটু তাড়াতাড়ি উঠে পড়বে। খিদে পেয়েছে। ক্যান্টিনে চিকেন স্টু খেয়ে বেরিয়ে যাবে অনি। অর্ডার দিয়েও ক্যানসেল করে দিল। পুঁটিরামের দিকে হাটতে থাকে। বেরিয়ে পুরোনো মার্কেটে ঢুঁ মেরে অনি ফিরবে। এগিয়ে যাচ্ছে। হঠাৎ, বুলডগ নিয়ে আসা সেই মেয়েটি। সেই কালো টি- শার্ট। নীল ট্রাকস্যুট। পায়ে লাল স্নিকার। মেয়েটি একবার তাকিয়ে আর তাকাল না। আগে যতবার দেখা হয়েছে, প্রত্যেকবার রাউন্ড দেবার সময় মেয়েটি তাকিয়েছে। অনিকে ক্রস করে গেল। অনি খেয়াল করল বুলডগটা খোঁড়াচ্ছে। আর মেয়েটি আস্তে আস্তে দৌড়াচ্ছে আর মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে। অনি দাঁড়িয়ে থাকল। পরের রাউন্ডে নিশ্চয় তাকাবে। নাহ, মেয়েটি আর আসল না। প্রায় কুড়ি মিনিট দাঁড়িয়ে থাকল। এতক্ষণ সময় লাগার কথা নয়। অনি নিজেই একবার রাউন্ড দিল। মেয়েটিকে দেখতে পেল না। মনখারাপ নিয়ে মেডিকেল কলেজের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। পুরানো বইয়ের দোকানে যাবে। কিছুটা এগিয়ে দেখল, এক মাতাল তার বউকে লাঠি দিয়ে পেটাচ্ছে। আর একটা বাচ্চা ‘আব্বা, মা’কে মেরো না, মা’কে মেরো না’ বলে চিৎকার করছে। কারো শোনার সময় নেই। কলকাতা শহরের কান নেই। অনিও শোনেনি। শুধু দূর থেকে দেখল, আসিফের পাছায় বসা কুকুরের দাগগুলো অনেকটা মিলিয়ে গেছে।

Spread the love

7 Comments

  • ভালো লেখা

    Yousuf Molla,
  • চেনা ছবিকে এই সুন্দরভাবে লাইনে ফুটিয়ে তুলতে তুই পারিস। কবিতায় দেখেছি। এবারে অন্যভাবে দেখলাম।
    গল্পের বুনোনটা খুব পছন্দ হয়েছে তবে তার থেকেও পছন্দ শেষটা। এরকম শেষ হলে পাঠককের আরেকটু ভাবার অবকাস থাকে।

    একটা লেখা পড়ে নিজেকে ভাবের মধ্যে একটা মিনিট ডুবিয়া রাখার মধ্যে আরাম আছে। সেটা এই লেখাটা থেকে পেলাম।

    আবারও শুভ কামনা।
    তবুও প্রয়াসের এই যাত্রা সুন্দর আর সফল হোক।

    আবু সোলাইমান দারানি,
    • খুব ভালো লাগলো, একটু অন্যরকম ভাবে দেখা, অন্যরকম দৃষ্টি।
      সুজয়

      Sujay Das,
  • বেশ ভালো লাগল।

    যুগান্তর মিত্র,
  • অন্যরকম এবং ভালো লেখা,…বিশেষত শেষ অনবদ্য।

    প্রগতি বৈরাগী,
  • অসম্ভব ভাল একটা গল্প পড়লাম…

    বিপ্লব চক্রবর্তী,
  • চেনা ছকের বাইরে গল্প। কিছু কাহিনি ধরা পড়ল। কিন্তু সামগ্রিকভাবে কাহিনিহীন গল্প।

    Arghya De,
  • Your email address will not be published. Required fields are marked *