By Editor Editor

সাদাত হাসান মান্টোর গল্প

খোলো

মূল উর্দু থেকে অনুবাদ: কাজী মোহাঃ মাকীন

অমৃতসর স্টেশন থেকে স্পেশাল ট্রেনটা দুপুর দু-টোয় ছেড়েছিল। আট ঘণ্টার দুঃসহ যাত্রার শেষে সেটি মোগলপুরা স্টেশনে পৌঁছোয়। দাঙ্গাকারীদের আক্রমণে পথেই বেশ কিছু মানুষের প্রাণ যায়, অনেকে আহত-ক্ষতবিক্ষত হয় আর বহু মানুষ প্রাণভয়ে এদিক-ওদিক ছিটকে যায়। Read more “সাদাত হাসান মান্টোর গল্প”

Spread the love
By Editor Editor

সৌমনা দাশগুপ্তের কবিতা

ছায়াশলাকার ঘর

অ্যাসিডবৃষ্টি। ভিজে যাচ্ছে মহাফেজখানা। দেহ এক হাড়ের দলিল। দেহ এক অস্থাবর ভূর্জপত্র। সেঁকে নাও। তুলো উড়িয়ে দিতে দিতে হাসিতে ভেঙে পড়ছে বালিশ। Read more “সৌমনা দাশগুপ্তের কবিতা”

Spread the love
By Editor Editor

জব্বার আল নাঈমের গল্প

জীবনের ছুটি নেই

টানা দুই দিন দুই রাত ধরে হাঁটছি। শরীর এখন সামনের দিকে কিছুতেই এগুতে চাইছে না। তখনও সূর্যকে ক্লান্ত অবিশ্রান্ত লাগেনি। কিন্তু ক্লান্ত-অবিশ্রান্ত আমার চোখে রাজ্যের ঘুম। নিজেকে মাটিতে বিছিয়ে দিলাম। সূর্য বিশ্রাম শেষ করে কপালে আলোর স্ফুরণ ফেলে। আড়মোড় ভেঙে হাঁটতে শুরু করি আবার। পলক ঘুরতেই দেখি একটি বিড়াল আমার ছায়ায় হাঁটছে। বিষণ্নতা কাঁটিয়ে, কৌতূহল থমকে দেয়; দাঁড়াই। Read more “জব্বার আল নাঈমের গল্প”

Spread the love
By Editor Editor

সুমন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতা

উন্মাদের দিনলিপি


শীতঘুমের ভেতর জোর করে ঢুকে যাচ্ছে বিষণ্ণ সানাই। আবহে কেউ কোথাও নেই। জলে ভিজে যাওয়া কয়েকটা দীর্ঘশ্বাস— হাতড়ে হাতড়ে তুলে আনছে মৃত নদীটির যোনিরোম। এ সবই চিত্রকল্প। বালিহাঁসদের পালক দিয়ে তুমিও নিশানা করেছ দিগন্তের রং। Read more “সুমন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতা”

Spread the love
By Editor Editor

রিম্পির গদ্য

হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা

শান্তিনিকেতনের মেঘলা দিন মানেই কোপাই অথবা সোনাঝুরি। বৃষ্টি মানেই লাল মাটির রাস্তা ধরে দলবেঁধে বর্ষার গান। কালবৈশাখীর ঝড় তো এখানে আম কুড়োনোর বাহানা ছাড়া আর কিচ্ছুটি না। এখানে অকারণেই শাড়ি আর খোঁপায় ভিজে গুলঞ্চ। শাল শিমূলের নীচে গল্প মানেই, বন্ধুদের হাহা হিহিতে ফেটে পড়া! Read more “রিম্পির গদ্য”

Spread the love
By Editor Editor

ন্‌কাতেকো মাসিঙ্গা-র কবিতা

ভাষান্তর: অনিন্দ্য রায়

সৃষ্টিতত্ত্ব

চ্যাপেলে ঢোকার পথে
মোজেইক রয়েছে মেঝেয়

মোজেইক মানে টুকরোদের জুড়ে বানানো একটা ছবি
মোজেইক মানে মোজেসের Read more “ন্‌কাতেকো মাসিঙ্গা-র কবিতা”

Spread the love
By Editor Editor

অলোকপর্ণার ধারাবাহিক উপন্যাস: আফিম (চতুর্থ পর্ব)

কাজল ভোমরা রে

করিমন বিবির মরাকান্না দু-ঘণ্টার বিবর্তনের পর একঘেয়ে নাকিসুরে ঘ্যানঘ্যানে কান্নায় পরিণত হয়েছে। প্রথম দিকের স্পষ্ট প্রলাপ এখন বিকৃত হয়ে গোঙানি। খেই হারানো কান্না দলা পাকিয়ে আছে বাইরের ঘরটায়। করিমন বিবির নাক, চোখ, গাল ফুলে গিয়ে গোল আর লাল হয়ে চকচক করছে। পেট ফোলা করিমন বিবিকে এখন তুলোভরা স্ফীত ভাল্লুকের মতো দেখাচ্ছে। পার্থক্য শুধু,— ওই গালে পিন ফুটালে চামড়া ফুঁড়ে ভক করে তুলোর পরিবর্তে তার সমস্ত শোক বেরিয়ে পড়বে। Read more “অলোকপর্ণার ধারাবাহিক উপন্যাস: আফিম (চতুর্থ পর্ব)”

Spread the love
By Editor Editor

সেলিম মণ্ডলের কবিতা

পাখি সব করে রব


নাচের স্কুলে তুমি কোন ময়ূর
মেঘ ডাকার আগেই ভুলে যাও পেখম তুলতে?


সেই হাঁড়িচাচাকে কি আজ খুঁজে পাওয়া যাবে Read more “সেলিম মণ্ডলের কবিতা”

Spread the love