By অ্যাডমিন

বই, আমরা কেন পড়ি?

‘বই আমরা কেন পড়ি?’

[‘বই, আমরা কেন পড়ি’ — আমরা আমাদের ফেসবুক প্রোফাইলে এই প্রশ্নের মতামত চেয়েছিলাম। সেখান থেকেই ১০ জনের মতামত।]

মানুষ যেভাবে গল্পের পাকে পাকে জড়িয়ে পড়ে, আমিও সেভাবে বইয়ের পাকে পাকে।
বই আমার কাছে আয়না। পুকুরের হাঁস।জীবন।দাউদাউ এক আশ্রয়।
সুবীর সরকার Read more “বই, আমরা কেন পড়ি?”

Spread the love
By অ্যাডমিন

প্রবুদ্ধসুন্দর করের দশটি কবিতা

সংক্রান্তি

চৈত্রশেষের বাতাস ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করল
—বল বস্, কাল মাংস হচ্ছে তো তাহলে? দই? খুব ভোরে স্নান?
তেলচিটে গেঞ্জি আর জাঙিয়ার ওপর গলিয়ে নেবে আদ্দির পাঞ্জাবী?
বিকেলে আশ্রম যাবে? কাব্যলোক? রবীন্দ্রসংগীত? Read more “প্রবুদ্ধসুন্দর করের দশটি কবিতা”

Spread the love
By অ্যাডমিন

মানিক সাহার গুচ্ছকবিতা

হাত সরাও

হাত সরাও। গা পুড়ে যাচ্ছে ওর তাপে। এই ন্যাকাপনা হাসি আর চাউনির পেছনে যে সাপ বাস করে, তাকে আমি চিনি। তার দ্বিখন্ডিত জিভে হিংসা ও লোভ লেগে আছে। লোভের বাইপাস কিছু নেই। সে কেবল ধ্বংস করতে জানে৷ চামড়া গুটিয়ে নিয়ে সাদা মাংস রোদে শুকোতে দেয়। মন্ত্র পড়া শুরু করলেই বলে ওঠে, এটা ম্লেচ্ছদের পাড়া। এখানে প্রেম নেই। যৌনতা আছে। Read more “মানিক সাহার গুচ্ছকবিতা”

Spread the love
By অ্যাডমিন

জ্যোতি পোদ্দারের কবিতাগুচ্ছ


ঘোরানো প্যাঁচানো মুখের আদল দেখেই বুঝেছি
তুমি যে ঘাসের কথা বলছ
সে আমার প্রাণসখা;
মহাপ্রাণে একসাথে গেঁথেছি উড়ন্ত ডানার Read more “জ্যোতি পোদ্দারের কবিতাগুচ্ছ”

Spread the love
By অ্যাডমিন

সিদ্ধার্থ সিংহের গুচ্ছকবিতা

কী করে বলি

হাইকম্যান্ডকে কী করে বলি!

ও রকম দু-চারটে খুন সবাই করতে পারে
কিন্তু এক কোপে কারো মাথা নামিয়ে
সেই মুণ্ডু নিয়ে কখনও কি ফুটবল খেলেছেন প্রকাশ্য রাস্তায়? Read more “সিদ্ধার্থ সিংহের গুচ্ছকবিতা”

Spread the love
By অ্যাডমিন

সেলিম মণ্ডলের গদ্য

রাস্তা কারো একার নয়

কলেজ স্ট্রিটে কাজ সেরে আমহার্স্ট স্ট্রিট থেকে রাজা রামমোহন সরণি ধরে হাঁটছি। মাথাটা ভীষণ ভার। শরীরটা ম্যাজম্যাজ করছে। মাঝরাত্রিরে ঘুম ভেঙে যাওয়ার পর আর ঘুম ধরেনি। সকালে থেকে চুয়া বমি। শরীরটা ভালো না। কয়েকবার গলায় আঙুল দিয়েও বমি হল না। Read more “সেলিম মণ্ডলের গদ্য”

Spread the love
By অ্যাডমিন

ভাইরাল গায়িকা রাণু (মারিয়া) মণ্ডল

গৌতম চট্টোপাধ্যায়

“রাণু কোনোদিন কারোর কাছেই গান শেখেননি। তার হারমোনিয়াম ছিল না, বাজাতেও শেখেননি। শুধুমাত্র মেধা, স্মৃতি, কর্ণ ও কন্ঠ সম্বল করে তিনি রেডিও-রেকর্ড-টেপে পরিবেশিত গান পড়শিদের বাড়িতে অথবা পথচলতি শুনে শুনে শিখেছেন। রাণুর মাসি বলেছেন সে নাকি রাস্তার ছুটে যেত মাইকে বাজানো গান শুনতে।”

 

রানুর ব্যাপ্টিজমের নাম হয় মারিয়া। সেটা সম্ভবত কৃষ্ণনগর চার্চ-এ কারণ, সেখানেই জন্মেছিল রাণু সম্ভবত ১৯৬৫ সালে। অনুসন্ধানে জানা যায় যে, রাণুর ঠাকুরদার নাম ছিল বসন্ত রায়, বাড়ি ছিল ফরিদপুরে। Read more “ভাইরাল গায়িকা রাণু (মারিয়া) মণ্ডল”

Spread the love
By অ্যাডমিন

অত্রি ভট্টাচার্য্যের কবিতা

ধর্ষণত্রস্ত

বিকেলটুকু এখনও ততখানিই তার যতটুকু পরিষ্কার হয়,
কাচের রাস্তার মতো চকচক করছে আধাশিশুদের গাল,
গাল বেয়ে ঝরছে মরিচ। এক মৃত কবির
পাখনা পড়ে রয়েছে পাখিরা তাই ঠুকরে খাচ্ছে। Read more “অত্রি ভট্টাচার্য্যের কবিতা”

Spread the love
By অ্যাডমিন

সুবীর সরকারের গদ্য: হাটগঞ্জকোরাস (তৃতীয় পর্ব)

হাটগঞ্জকোরাসের (তৃতীয় পর্ব)


উড়ে যাওয়া মেঘের নীচে মেঘদলের খণ্ডবিখণ্ডের নীচে বহুব্যপ্ত জনপদখিলান। মেঘের ছায়ায় ছায়ায় সে দেখে হেঁটে যেতে থাকা নদীরাম বর্মণকে। শ্যাওলামাখা আস্ত একটা শরীর নিয়ে নদীরাম হেঁটে যেতে থাকে। নদীরাম কখনও কখনও নিজেকে লুকিয়ে ফেলে। তখন সে হয়ে ওঠে নদীরাম জালুয়া নদীরাম হালুয়া নদীরাম হাটুয়া। কিংবা— ‘বাচ্চা বাপই সোনার চাঁন/গরু দুইটা আইলত বান্ধ’ এমনতর গান কন্ঠে ধারণ করে নদীরাম গীদালই বা যেন। Read more “সুবীর সরকারের গদ্য: হাটগঞ্জকোরাস (তৃতীয় পর্ব)”

Spread the love