Categories
ধারাবাহিক প্রবন্ধ ফর্মায়েসি

অনিন্দ্য রায়ের ধারাবাহিক: ফর্মায়েসি

দশম পর্ব

থান বাউক
(Than bauk)

মায়ানমারের একটি কবিতার ফর্ম ‘থান বাউক’।
এই বর্মীয় কবিতা তিন লাইনের। প্রতিটি লাইন চার সিলেবলের।

Categories
গল্প

দীপ্তেন্দু জানার গল্প

ইমলি টোটো

এই নিয়ে কম টিটকিরি তো শুনতে হয়নি! এমনকী পাড়া-প্রতিবেশীরা চরিত্র নিয়ে কথা বলতেও ছাড়েনি! আর বলবে না-ই-বা কেন? নিজের আত্মীয়-স্বজনরাই যখন বিষয়টাকে ভালো চোখে দ্যাখেনি, তখন বাইরের লোকেরা তো দু-পাঁচ কথা বলবেই।

Categories
কবিতা

মামনি সরকারের কবিতা

মায়া ফলক


প্রেমের কবিতা লিখতে বললে
মা-বাবাকে মেলাতে বসি।
কিছু কিছু রাতের বাতাস

Categories
কবিতা

কাজী ওয়ালী উল্লাহর কবিতা

জীবনভঙ্গি

আশ্চর্য জীবনভঙ্গি আমি রপ্ত করেছি
ঘুমাব না, ঘুমালে জাগবই না
কেবল রোদের পরাগায়নে ঝিমিয়ে দুপুর কাটিয়ে দিই,

Categories
চলচ্চিত্র

শুভদীপ ঘোষের প্রবন্ধ

পরজীবীর শৃঙ্খল: দক্ষিণ কোরিয়ার চলচ্চিত্র

“Banjiha is a space with a peculiar connotation. …It’s undeniably underground, and yet you want to believe it’s above ground, there’s also the fear that if you sink any lower, you may go completely underground.”

Categories
গদ্য ধারাবাহিক সোনালি হরিণ-শস্য

পার্থজিৎ চন্দের ধারাবাহিক গদ্য: সোনালি, হরিণ-শস্য

নবম পর্ব

ব্যাবেলের লাইব্রেরি অথবা নাথিংনেস

‘অসংখ্য ষড়ভুজাকার গ্যালারি, প্রতিটির মাঝখানে নিচু-রেলিঙে ঘেরা এক একটা ঘুলঘুলি। যে কোনও ঘুলঘুলি থেকে নীচে ও উপরের ফ্লোরগুলি দেখা যায়।

Categories
কবিতা

বিক্রম ঘোষের কবিতা

ঠাকুমা ও মা


মা বলতো শেষের কয়েকটা দিন ঠাকুমা নাকি শৈশবে ফিরে যেতে চেয়েছিল,
বিকেল হলেই আয়নার সামনে বসে লাল ফিতে দিয়ে সাদা একমুঠো পটের চুলে বিনুনি বাঁধত,

Categories
প্রবন্ধ

সুমনা রহমান চৌধূরীর প্রবন্ধ

মিঞা কবিতা: স্ফুলিঙ্গ যখন মশাল

“লিখো
লিখে রাখো
আমি একজন মিঞা

Categories
কবিতা

অর্ঘ্যকমল পাত্রের কবিতা

প্রিয় অসুখ


প্রিয় অসুখের কাছে এসে আরও উদ্বেলিত হয় রাত। প্রিয় তালগাছের দিকে তাকাই। তালগাছটিও আমার দিকে…

Categories
ধারাবাহিক প্রবন্ধ ফর্মায়েসি

অনিন্দ্য রায়ের ধারাবাহিক: ফর্মায়েসি

নবম পর্ব

লুক ভাত
(Lục bát)

ভিয়েতনামের পম্পরাগত আঙ্গিক ‘লুক বাত’। সে দেশে সমাজের সব স্তরে জনপ্রিয় এই কবিতা। লুক বাতের সিনো-ভিয়েতনামী শব্দার্থ ‘ছয় আট’। ছয় ও আট সিলেবলের পর্যায়ক্রমিক দু-লাইন জুড়ে জুড়ে রচিত হয় এই কবিতা।