Categories
কবিতা

কুমারেশ তেওয়ারীর গুচ্ছকবিতা

ছুঁচসুতো

সেলাই শেখার পাঠ নিয়ে ব্যস্ত থাকি। যেখানে যা ছেঁড়াফাটা, শিক্ষানবিসি রাখি। আলোর পর্দার যে ফাটা অংশ দিয়ে ঢুকে আসে অন্ধকার কাল স্রোত হয়ে, সেখানে সেলাই দিই তড়িঘড়ি হাতে।

Categories
কবিতা

সোহম চক্রবর্তীর গুচ্ছকবিতা

উদাসী হাওয়ার পথে পথে…

কোঁকড়ানো বিড়ালের মতো
চৌকাঠে শুয়ে আছে রোদ

এ কথা লিখতে গিয়েই মনে পড়ছে

Categories
কবিতা

অচিন্ত্য মাজীর গুচ্ছকবিতা

জাতিস্মর

অবিন্যস্ত দেহভার এই বিপুল পললে থিতিয়ে যায়
বহুকাল কেউ নেই, পড়ে আছে গুটোবার কৌশল
বিরাট হলদে দানব জীবাশ্মের ভেতর কুটস্থ
অতিকায় জিভের কাঁটা ও রোঁয়া এখনো সজাগ

Categories
কবিতা

বেবী সাউয়ের গুচ্ছকবিতা

শিকার

দেখছি, ছিপ হাতে বসে আছে মৃত্যু…
জলের অপর নাম জীবন হলেও, মৃত্যু -ছায়া
সাঁতার কাটছে জলজ শহর জুড়ে…

Categories
অনুবাদ সাক্ষাৎকার

আইলিয়া কামিনস্কির সাক্ষাৎকার

ইংরেজি থেকে বাংলায় ভাষান্তর: ঋতো আহমেদ

[২রা এপ্রিল, ২০১৯। জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ে কবিতা পাঠের পর ডোরা মালিকের সাথে কথোপকথন হয় আইলিয়া কামিনস্কির। সেই কথোপকথনের সম্পাদিত রূপ এই সাক্ষাৎকার।]

Categories
কবিতা

অনির্বাণ সূর্যকান্তের গুচ্ছকবিতা

জরাসন্ধ- দ্য মেয়র, লিভ ইন দ্য বেডরুম এ্যাট ব্রোথেল


মাননীয় মেয়র, বুলডোজার অক্ষম হলে আগুন সক্ষম হয়ে উঠে। প্রেম অক্ষম হলে হিংসা সক্ষম হয়ে উঠে, শহরে বেহালা বাজালে যুদ্ধ ঝর্ণারা ফুলকি বিক্রি করে লাল তরমুজের মতো। ওড়নায় দিয়ে ধাক্কা দিচ্ছে হাওয়াইমিঠাই। আহ্বান নাই আপনার, যাত্রাপালায় রাজার পাঠ করতে চান! সার্টিফিকেটেরও করুনা করার চোখ আছে।

Categories
কবিতা

অভিষেক নন্দীর কবিতা

চাবিগুচ্ছ

ইতর মানচিত্রে পাখিরা নষ্ট টর্চ লাইটের মতো
দাঁত দিয়ে কেটে রাখা বেড়া, শাড়ির আদলে
যে বালিকা-পাখি বিয়েতে পরবে ভেবেছিল

Categories
প্রবন্ধ

অনিন্দ্য রায়ের প্রবন্ধ

প্রমথ চৌধুরীর ট্রিওলেট

[আমরা জানি, ট্রিওলেট বা ত্রিওলে হল মূলত আট লাইনের (যদিও ইতিহাসে সাত বা নয় লাইনের ট্রিওলেটের সন্ধান মেলে) এক স্তবকের কবিতা, যার প্রথম লাইনটির চতুর্থ আর সপ্তম লাইনে আর দ্বিতীয়টির অষ্টম লাইনে পুনরাবৃত্তি ঘটে।

Categories
কবিতা

অভিষেক মুখোপাধ্যায়ের কবিতা

নির্বাণ

সর্বভূতে ভবঃ চক্র! অর্ধভূতে শাঁসালো বক্রিম
সফনা ভুজঙ্গ জিহ্বা চেরা যমুনার জলে থই থই ভাসে
মাতনে ছোবল মারে, সে চুম্বনে গরল ছড়ায়।

Categories
গদ্য

শুভশ্রী পালের গদ্য

অ্যাসাইলাম থেকে বলছি ১

যেদিন খুব খিদে পায় আমি টেবিল সাজিয়ে বসি। প্রথমে ফ্রেঞ্চফ্রাই৷ লম্বা লম্বা, সরু সরু। ছাঁকা তেলে ভাজা। তারপর একটু নরম গ্রিল করা খাবার। ঠিক যেন মনে হয় প্যাশনেট চুমু খাওয়ার সময় প্রেমিকের ঠোঁট কামড়ে ধরছি। এরপর লেগপিস। তন্দুরি। বাটিতে মাছের তেলের মতো একটা অংশ, তা দিয়ে ভাত মেখে গোগ্রাসে খাই।