By Editor Editor

ফ্রানৎন্স কাফকার গল্প

ভাষান্তর: শতানীক রায়

হঠাৎ হাঁটতে বেরোনো
[The Sudden Walk]

যখন দেখবে তুমি শেষ অবধি মন স্থির করে ফেলেছ সন্ধ্যাটা বাড়িতেই কাটাবে, Read more “ফ্রানৎন্স কাফকার গল্প”

Spread the love
By Editor Editor

সাদাত হাসান মান্টোর গল্প

খোলো

মূল উর্দু থেকে অনুবাদ: কাজী মোহাঃ মাকীন

অমৃতসর স্টেশন থেকে স্পেশাল ট্রেনটা দুপুর দু-টোয় ছেড়েছিল। আট ঘণ্টার দুঃসহ যাত্রার শেষে সেটি মোগলপুরা স্টেশনে পৌঁছোয়। দাঙ্গাকারীদের আক্রমণে পথেই বেশ কিছু মানুষের প্রাণ যায়, অনেকে আহত-ক্ষতবিক্ষত হয় আর বহু মানুষ প্রাণভয়ে এদিক-ওদিক ছিটকে যায়। Read more “সাদাত হাসান মান্টোর গল্প”

Spread the love
By Editor Editor

এফুয়া ট্রাওরের গল্প

সত্যিকারের সুখ

ভাষান্তর: প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়

মাঝে মাঝেই আমার ব্যাপারে ছোট্টখাট্ট ঝামেলা পাকাতেই থাকেন মি. জাস্টিস, আমাদের পুরুতমশাই। আমি অবশ্য সেগুলো ক্ষমাঘেন্না করে দিই কেন-না তিনি যে সরাসরি ঈশ্বরের প্রতিনিধি।
যেমন ধরুন, গতকাল আমি বহুদিন পরে ফের একবার চার্চে গিয়েছিলাম কেন-না মা যে বলে ঈশ্বরই একমাত্র ভরসা। Read more “এফুয়া ট্রাওরের গল্প”

Spread the love
By অ্যাডমিন

হাঁসদা শৌভেন্দ্র শেখরের গল্প

নভেম্বর ইজ দ্য মান্থ অফ মাইগ্রেশনস

ভাষান্তর: রমিত দে

(জন্মসূত্রে হাঁসদা শৌভেন্দ্র শেখর সাঁওতাল এবং সাঁওতালী জীবনের অস্তিত্বের প্রশ্নগুলিই বারবার তার গল্পে অনুরণিত হয়েছে। বারেবারে একজন গল্পকার তার চরিত্রের মধ্যে দিয়ে পাঠককে মুখোমুখি করিয়েছেন প্রান্তিক মানুষের নির্বাসিত জীবনের। এমনকি তার প্রথম উপন্যাস-‘রুপি বাস্কের অদ্ভুত অসুখ”এর মুখবন্ধে হাঁসদা শৌভেন্দ্র শেখর যখন লেখেন –‘ এটি ইংরেজিতে লিখিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ সাঁওতাল উপন্যাস’ তখন বোঝা যায় কিভাবে তার যাপনে জড়িয়ে রয়েছে নিজস্ব জাতিসত্ত্বার ভাষ্যগুলো। এই উপন্যাসের জন্যই হাঁসদা শৌভেন্দু শেখর ২০১৫ সালের যুব সাহিত্য আকাদেমী পুরষ্কারে ভূষিত হন এবং ২০১৪ সালের ‘ক্রশওয়ার্ড বুক এওয়ার্ড ও হিন্দু লিটেরারি এওয়ার্ডের জন্য তালিকাভুক্ত হন। ) Read more “হাঁসদা শৌভেন্দ্র শেখরের গল্প”

Spread the love
By অ্যাডমিন

হাঁসদা সৌভেন্দ্র শেখরের গল্প

ভয়ের অন্ধকার

ভাষান্তর: কবির দেব

একটা ব্যস্ত দিন — সকাল আটটা থেকে দুপুর দুটো অবদি— সদর হাসপাতালে, যখন আমার চারটে বিভাগ একসঙ্গে দেখতে হচ্ছিল, ঠিক তখনই হাসপাতালের সুপার আমাকে ডেকে পাঠালেন। আমার কেবিনের সামনে একটা বেস ভালো ভিড় জমেছে— একটা অবশ ভিড় যা আমাদের কোনো অনুরোধ মানতে পারছে না অথবা চাইছে না যাতে এই হাসপাতালে একটা শান্তি বজায় থাকে। আমি তাদের কে বললাম যে আমি খুব শিগগিরই আসছি। এই বলে আমি ও.পি.ডি থেকে বেড়িয়ে চলে গেলাম। Read more “হাঁসদা সৌভেন্দ্র শেখরের গল্প”

Spread the love