Categories
কবিতা

অনির্বাণ চট্টোপাধ্যায়ের কবিতা

সিরিয়াল কিলারের ফিঙ্গারপ্রিন্ট


খুন করার পরেও
তার থেকে মুক্তি পাইনি

দুর্গন্ধ পেতাম একটা
তার না থাকার দুর্গন্ধ

Categories
কবিতা

প্রবীর মজুমদারের গুচ্ছকবিতা

বাঁশি
এই বর্ষার দিনে ভেসে যেতে যেতে তোমার কথাই শুধু মনে পড়ে যায়। এই তো মাথার উপর ভরসার হাত। তাতে বাংলার ঘ্রাণ লেগে থাকে।

Categories
কবিতা

গোলাম রসুলের দশটি কবিতা

পেন্সিলে লেখা ইতিহাস

দরজা দিয়ে বাড়িটা বেরিয়ে গেল আর ফেরেনি

তারপর কেটে গেছে বহুকাল
পেন্সিলে লেখা ইতিহাস

Categories
কবিতা

সমীরণ ঘোষের গুচ্ছকবিতা

কাঁটা
কাচের ঘড়ির নীচে বারুদের অবসান চেয়ে শুশুক বসেছে। মরচে
সন্ধে নামে কামানের গায়ে। ফেটে যাওয়ার আগে কাঁটার ধুরন্ধর জোকারের
হাসি টেনে বসে। কিন্তু দাঁতে পিন টেনে ছুড়ে দেবে না শুশুক, এই পণ

Categories
কবিতা

কৌস্তভ কুন্ডুর গুচ্ছকবিতা

খোলস ছাড়তে গিয়ে
খোলস ছাড়তে গিয়ে দেখি ফেরারি মেঘের সব দল; পুতুলের জামার ভেতর স্তনগন্ধ নিয়ে বাতিল শস্যের মতো শুয়ে আছে। আঁচলের উড়ে যাওয়া আলো গুটিয়ে এনেছিল যেসব শালিকেরা,

Categories
কবিতা

প্রবুদ্ধসুন্দর করের দশটি কবিতা

সংক্রান্তি

চৈত্রশেষের বাতাস ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করল
—বল বস্, কাল মাংস হচ্ছে তো তাহলে? দই? খুব ভোরে স্নান?
তেলচিটে গেঞ্জি আর জাঙিয়ার ওপর গলিয়ে নেবে আদ্দির পাঞ্জাবী?
বিকেলে আশ্রম যাবে? কাব্যলোক? রবীন্দ্রসংগীত?

Categories
কবিতা

মানিক সাহার গুচ্ছকবিতা

হাত সরাও

হাত সরাও। গা পুড়ে যাচ্ছে ওর তাপে। এই ন্যাকাপনা হাসি আর চাউনির পেছনে যে সাপ বাস করে, তাকে আমি চিনি। তার দ্বিখন্ডিত জিভে হিংসা ও লোভ লেগে আছে। লোভের বাইপাস কিছু নেই। সে কেবল ধ্বংস করতে জানে৷ চামড়া গুটিয়ে নিয়ে সাদা মাংস রোদে শুকোতে দেয়। মন্ত্র পড়া শুরু করলেই বলে ওঠে, এটা ম্লেচ্ছদের পাড়া। এখানে প্রেম নেই। যৌনতা আছে।

Categories
কবিতা

জ্যোতি পোদ্দারের কবিতাগুচ্ছ


ঘোরানো প্যাঁচানো মুখের আদল দেখেই বুঝেছি
তুমি যে ঘাসের কথা বলছ
সে আমার প্রাণসখা;
মহাপ্রাণে একসাথে গেঁথেছি উড়ন্ত ডানার

Categories
কবিতা

সিদ্ধার্থ সিংহের গুচ্ছকবিতা

কী করে বলি

হাইকম্যান্ডকে কী করে বলি!

ও রকম দু-চারটে খুন সবাই করতে পারে
কিন্তু এক কোপে কারো মাথা নামিয়ে
সেই মুণ্ডু নিয়ে কখনও কি ফুটবল খেলেছেন প্রকাশ্য রাস্তায়?

Categories
কবিতা

অত্রি ভট্টাচার্য্যের কবিতা

ধর্ষণত্রস্ত

বিকেলটুকু এখনও ততখানিই তার যতটুকু পরিষ্কার হয়,
কাচের রাস্তার মতো চকচক করছে আধাশিশুদের গাল,
গাল বেয়ে ঝরছে মরিচ। এক মৃত কবির
পাখনা পড়ে রয়েছে পাখিরা তাই ঠুকরে খাচ্ছে।