Categories
প্রবন্ধ

শতানীক রায়ের প্রবন্ধ

সেই আমি-র মৃত্যু

মৃত্যু হল সেই চরম শূন্যতা যা আমাদের চেতনার ওপরের অন্য স্রোত। সেখানে অসম্ভব এক দোলন, দেহের চারপাশে বহমান সে-শূন্য কেবলই অজানা থেকে যায়। মঙ্গল চিহ্নে যাকে বাঁধা যায় না, আবার অমঙ্গল বলেও তাকে দাগিয়ে দেওয়া স্পর্ধার হয়ে ওঠে। আমার দেহ আছে সে আমার বোধের আয়তনের মধ্যে পড়ছে তবে যবে আমি থাকব না তখন!! আমার দেহের বিনষ্টকরণের পর আমি কী করে জানব আমি নেই ? আমি যে দেহে মনে সংযুক্ত ছিলাম পৃথিবীতে, সমাজে, মহাবিশ্বে, ব্রহ্মাণ্ডে আর দেহের ক্ষয় হওয়ার পর সমস্ত বোধ দেহহীন হওয়ার পর আমি কি আদতেও জানব যে আমি আর নেই?

Categories
প্রবন্ধ

ফাল্গুনী ঘোষের প্রবন্ধ

বারোমাসে তেরো পার্বণ

বাঙালির নাকি বারো মাসে তের পাবণ। ভাগ্যিস! এই উৎসবের সুবাদেই তো একঘেঁয়েমির অসুর দমন সম্ভব হয়ে ওঠে।

Categories
প্রবন্ধ

সুকান্ত ঘোষের প্রবন্ধ

শিশিরকুমার দাশ: জ্ঞানচর্চার আলোকে (প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য)

  1. একটা অভিজ্ঞতা দিয়ে শুরু করব। সময়টা ২০০৮, সাল ট্রেনে করে দিল্লি থেকে বাড়ি ফিরছি। ট্রেনে এক ভদ্রলোক আমায় জিজ্ঞেস করলেন, দিল্লিতে আমি কী করি? তখন আমি এম.এ পড়ছিলাম। আমিও সদুত্তর দিলাম— আধুনিক ভারতীয় ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে বাংলায় এম.এ করছি। তিনি বলেছিলেন— যে বিভাগে শিশিরকুমার দাশ পড়িয়েছেন তার মান তো অপরিসীম। আমি একটু দ্বিধানি্বতভাবে উত্তর দিয়েছিলাম— হ্যাঁ। কারণ তখন তাঁর কর্মজগৎ ও জ্ঞানজগতের সঙ্গে আমার কোনো পরিচয় ছিল না। এখনো যে খুব একটা পরিচিতি হয়েছে এমন দাবী করছি না। কিন্তু যে সামান্য পরিচয় পেয়েছি তাতে খানিকটা আন্দাজ করতে পারি, নয় বছর আগে সেই ভদ্রলোকের কথার তাৎপর্যখানি।