By Editor Editor

স্মৃতিকে পাহারা দিয়েই চলে গেলেন কার্তিক মোদক: সেলিম মণ্ডল

গতবছর বেশ কয়েকবার কার্তিকবাবুর কাছে গেছিলাম। একটা পরিকল্পনা ছিল। পত্রিকায় একটা বিশেষ ক্রোড়পত্র বা সংখ্যা করব। কিন্তু ওঁর ঠিকঠাক সহায়তা না-পাওয়াতে কাজটা আর এগোয়নি। সত্যি বলতে দোষটা ওঁর একার না, তখনই বয়স ৮০ মতো। কানে তেমন শোনেন না। সবকিছু ভুলে যান। Read more “স্মৃতিকে পাহারা দিয়েই চলে গেলেন কার্তিক মোদক: সেলিম মণ্ডল”

Spread the love
By অ্যাডমিন

শিবাশিস দত্তের স্মৃতিকথা

গ্রামজীবনের আত্মা’ হয়ে উঠেছিলেন তারাপদ সাঁতরা

তাঁকে আমি জেনেছিলাম সেই ১৯৯৮ সালের গোড়ায়। তারাপদ সাঁতরা— বিরল মনের এবং মানের এক পুরাতত্ত্ববিদ। গ্রামের পর গ্রাম চষে বেড়িয়েছেন, তীব্র প্যাশন আর গভীর জিজ্ঞাসার টানে যেন হয়ে উঠেছিলেন ‘গ্রামজীবনের আত্মা’। ‘আত্মা’ কথাটা সচেতনভাবেই ব্যবহার করছি কারণ, মুখাবয়ব, বেশ, ভঙ্গি, কিংবা কথাবার্তায় শহুরে ঠাট বা অধ্যাপকীয় চাতুর্য— এর কোনোকিছুই তারাপদদাকে স্পর্শ করতে পারেনি। গবেষকসুলভ পণ্ডিতি নয়, গ্রামজীবনের আঁতের কথা তিনি জানতেন। পরনে ধুতি আর রোগা পাঞ্জাবি, চোখে কালো ডাটির সেকেলে চশমা, কাঁধে ঝোলা— নিরন্তর পায়ে-হাঁটার জীবনভর অভ্যাসকে কী কৌশলে রপ্ত করেছিলেন কে জানে ! পায়ের কষ্ট ছিল, স্বাভাবিক চালে পা ফেলে হাঁটতে পারতেন না— তবুও। ১৯৯৬-৯৭ সালের কথা। শহুরে মনন দিয়ে গ্রামীণ মনকে বুঝতে হবে— এ ধরনের তাগিদ থেকে তখন গ্রামগঞ্জে ঘুরে বেড়াচ্ছি, অভিজ্ঞতার কথা লিখছি। বেশ কিছুদিন লেখালেখির পর মনে হল, ইতিহাসের উপাদান, পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন কিংবা ছড়া-প্রবাদের পরতে পরতে যিনি গ্রামজীবনের গবেষণাকে ধ্যানজ্ঞান করে তুলেছেন সে সাধকের কাছে একবার যাওয়া দরকার। মতলব একটা ছিল বই কি! গ্রামজীবন-বিষয়ক লেখাপত্রগুলি তাঁর সামনে হাজির করা। সে ধান্দা মেনেই একদিন হাজির হয়ে গেলাম তাঁর কাছে। পূর্ব-পরিচয় নেই, তাতে কী! গম্ভীর স্বভাবের অধ্যাপক বা জনপ্রিয় লেখক-কবি তো নন যে দুরু দুরু বুকে হাজির হতে হবে। সাক্ষাৎ লাভের পর অনুমান সত্য হল। বাকচাতুর্য নেই, পণ্ডিতি ভাব নেই, খোলা মনের মানুষ বুঝে বন্ধুভাবে মতলবের কথাটা বলেই ফেললাম: Read more “শিবাশিস দত্তের স্মৃতিকথা”

Spread the love