Categories
কবিতা

নিত্যানন্দ দত্তের গুচ্ছকবিতা

ইস্কুলবাড়ির কবিতা

রেনি ডে

যেদিন বৃষ্টি খুব, আলোয় ঝমঝম করে গাছ।

গুটিকয় সিক্ত কিশোর শূন্য ক্লাসঘরে মৃদু মৃদু কাঁপে, বোতামের ঘরে ঘরে বৃষ্টির ছাঁট এসে জমে, জমে সুদূরের ছোটবেলা থেকে বিষাদের মেঘ…

Categories
কবিতা

ইন্দ্রনীল ঘোষের কবিতা

খিদে

স্বাধীনতার এত কাছে এসে মনে পড়ল
পকেটে কোনো পতাকাই নেই…
দৃশ্যহীন মানুষের চোখগুলো দখল করছে আমার চোখ—

Categories
কবিতা

সমীরণ ঘোষের গুচ্ছকবিতা

সন্দেহ

লোহার পৃষ্ঠা থেকে পাহারা করছে বেড়ালের মাথার সামান্য

একটু ঘুমের মাছ। কাঁটাপোঁতা গলির সন্ধে। নলিকাটা
নদীর পাথর সূর্যাস্ত কাটছে যাঁতি খুলে

বেড়ালের মাথার কিছুটা সন্দেহপ্রবণ কোনো ছায়ার পিস্টন

Categories
অনুবাদ কবিতা

লরেন্স ক্যারাদিনি’র কবিতা

ভাষান্তর: অনিমেষ সাউ

এবং আবার

সেই পাখিটা ফিরে গেছে।
আমি অপেক্ষা করছি,
আমি তার অভিলাষ,
সে আলের ওপর বসে আছে ,

Categories
কবিতা

সঙ্গীতা মাইতির গুচ্ছকবিতা

কোকিল

অতটা আত্মহত্যা চায়নি লক্ষ্মণরেখাটিও—
কেন তবে দোলালে ঈগলের চোখ?
আমাকে সযত্নে বাজিয়ে বাজিয়ে মেঘমল্লার!

তোমাকে আয়না ভাবলে পুড়ে যায় তামাম রক্ত

Categories
কবিতা

সৌমাল্য গরাই-এর গুচ্ছকবিতা

আকাশ

নিঃসঙ্গ বৃদ্ধের মতো বসেছেন একা
এত বিষ নীলে নীল সমগ্র শরীর
অথচ উজ্জ্বল চোখ দশদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে
পাগল মানুষ যেন শূন্য থেকে শুরু করে

Categories
কবিতা

অরিন চক্রবর্তীর গুচ্ছকবিতা


এক সন্ধ্যায় পুরোনো জামাকে নিজের আয়তনে সেলাই করছি। আঙুলের ডগায় ছুঁচ ফুটল। রক্তমাখা সাপটা শিরাকে পেঁচিয়ে রাখলো। অদৃশ্য তলোয়ার এসে আমূলে গেঁথে গেল খোলসে। উঠে দাঁড়ালাম আয়নার সামনে। দেখছি, মুখোশ খসে পড়ে উড়ে গেল নীরবতায়। গরাদে কালো রাত নামলে আমরা ঘুমিয়ে যাই। জেগে থাকে নগ্ন বিছানা। পরাঙ্মুখ চেতনাকে দিলাম শেষ বসন। ছাই ছাড়া আর কিছুই নেই।

Categories
কবিতা

তৃষা চক্রবর্তীর গুচ্ছকবিতা


ভাবি খুব সহজ হবে লেখা
হিম পড়ার মতো প্রথম শীতের
‘গায়ে কিছু দিলি না’, মৃদু ভৎর্সনা—
আর কোনো নদী নেই আমাদের

Categories
কবিতা

আচ্ছন্ন দত্তের গুচ্ছকবিতা

জাদুবিশ্বাস

দেখা হয় না অনেকদিন
দেখা হয় না আমার দেওয়া চিহ্ন হিসাবে
ওর হাতে আমার হাতের ছাপ।

একদিন হাত ধরেছিলাম ওর,

Categories
কবিতা

তিতাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতা

জীবন রাতখোর

পরিযায়ী

সমস্ত জেগে থাকায়
মাথার ভেতর ওড়ে শঙ্খচিল…
জীবনের কাছে একটামাত্র সিগারেট চেয়েছিলাম!