Categories
কবিতা

কল্যাণ সরকারের গুচ্ছকবিতা

শুধু এই কাঁটা এবং

এখনও বৃষ্টির মতো শব্দপতন
এখনও পদ্মকাঁটা কলারবোনে জেগে ওঠে।
অন্ধকারে জোনাকির আঁকিবুঁকি রেখা
সুনীল ভাস্কর্য আঁকে আকাশের প্লেটে।

Categories
কবিতা

সোনালী চক্রবর্তীর গুচ্ছকবিতা

সিরিজ— পঞ্চমুখী
(পাঞ্চালি নয়, পঞ্চকন্যাও নয়)

মহামায়া

দেখো, এভাবেই ঠিক, হারিয়েই যাব একদিন, বেঁচে আছি, এই কম্পন পদ্ম কাঁটার মতো ধ্রুবকহীন। ভেসে ওঠে, আবার মিলায়।

Categories
কবিতা

ঋক অমৃত’র গুচ্ছকবিতা


নিজের থেকে দূরে যেতে যেতে মনে হয় আয়নার আরও ভিতরে প্রবেশ করছি ক্রমশ। ঠিক যেন সদ্যরচিত গজল;

প্রথম প্রেমের কথা মনে পড়ে, অরুণেশ ঘোষের গল্পের কথা মনে পড়ে, নিজস্ব চাকরির কথা মনে পড়ে…

Categories
কবিতা

মোহিত তন্ময়ের কবিতা

চৈত্র

চৈত্রের রাত্রে ঠান্ডা হওয়া দিলে, একটা বিমর্ষ আমবাগানে ঢুকে পরি, বন্ধ্যা বাগানকে ঘিরে কোথাও কোনো লোক দাঁড়িয়ে নেই, শুধুই মরে যাওয়া শীতল পাতাদের হলুদ ঠোঁট থেকে টপ টপ করে ঝরে পড়ছে দু-দণ্ড ব্যর্থ ষড়যন্ত্র।

Categories
কবিতা

সৌমাল্য গরাইয়ের গুচ্ছকবিতা

সম্পাদকীয়

স্বপ্ন ভেঙে যাওয়া মানুষের মুখ না লিখতে পারা কবিতা। অপাপবিদ্ধ। যন্ত্রণাকে শিকার করতে করতে দক্ষ শিকারীর মতো চুপ থাকে। তারপর একদিন নিজেই নিজের শিকার বনে যায়। আমি শিকারি নয়, বরং জল্লাদ হতে চাই। নিজেকে হত্যা করে প্রতিটি যাপনে শরীর থেকে শরীরকে ছুঁড়ে ফেলে দেখতে চাই তার প্রতিটি গোপনাঙ্গে কী লেখা আছে!

Categories
কবিতা

অশোক ঘোড়ইয়ের গুচ্ছকবিতা

স্নানের দেরি হয়ে যাবে, অশোক

নীল মোজার ভেতর নিজেকে লুকিয়ে রেখে দিই অনেক সময়

নিজেই একসময় টেনে বের করে নিই
নিজেকে : অশোক, এভাবে লুকিয়ে থাকলে, স্নানের দেরি হয়ে যাবে।

Categories
কবিতা

শুভ্রা মুখার্জীর গুচ্ছকবিতা

শিরোনামহীন

সমস্ত জমি জরিপের কাজ শেষ হয়ে গেলে
কোরা কাগজের মতো ভাঁজ খুলে দাঁড়িয়ে থাকে পুরনো পাথর
আমাদের ঘর আরও হাঁ করে এগিয়ে আসতে থাকে…
আরও দ্রুত সন্ধিকাল এসে ছোটো খুপরির মগজ ঘেঁটে দেয়

Categories
কবিতা

বল্লরী সেনের গুচ্ছকবিতা

রুদ্রপলাশ

বড্ড বেজন্মা
আমারই হাতে দুধ কেটে যায়
শাঁখা পলা বেড়ে যাচ্ছে। অলক্ষ্মী কুয়ো, শুকনো
যোনির মতো কাঠ হয়ে আছে কান্নায়

Categories
কবিতা

বহতা অংশুমালীর গুচ্ছকবিতা


ভালোবাসা একখানি সাফল্যের গল্প
নেশাড়ুর সঙ্গে এক
গঞ্জিকাজীবির লেনদেন
মাত্র তিনদিনে তার নেশা হয়েছিল

Categories
কবিতা

জ্যোতির্ময় মুখার্জির গুচ্ছকবিতা

কাঠের পা, ঘোড়ার পা

আচ্ছা, ঘটনাটা কি সত্যি? ওই যে, যেটা লিখেছে ‘মহাজনটুলি’ কবিতায়। আমার উত্তর ছিল, হয়তো। হয়তো ‘সতী-সাবিত্রী কথা’

আসলে প্রতিটি লেখার দুটো পা থাকে। যার একটা পা হাঁটতে হাঁটতে কোনও এক আরবি ঘোড়ার হয়ে গেলেও, অপর পা’টা অবশ্যই কাঠের