অত্রির গুচ্ছকবিতা

ইঁদুরমঙ্গল ও টম হ্যাঙ্কস


অসহায় খ্রিস্টকে কোমরভরতি জলে নামিয়ে দাও। ভাঙা ইংরেজি। ঠোঁটের জাহাজ। পশুজন্ম। ফেরিঘাটে হাহাকারময় ট্রান্সপোর্টেশন। সকালের ট্রেনে তুমি চলে গেলে। এখন তুমি কবিতা হয়ে মাংসের বক্সে যাও। সোনার চাদরে মোড়া শস্যের নিঃশ্বাস হয়ে যাও। হয়ে যাও বো ব্যারাকে বুলডগের মৃত্যু। দেখতে থাকো আমাকে। ম্যাজিক দেখতে থাকো।


মোমবাতির অন্ধ সাধুতা প্রাচীন আঙুলের চাপে মুক্তোর মতো ঝকঝকে হয়ে যায়। কোয়ার্টজের টুকরোর মতো নাপোলি শহরের প্রথম বাড়ি ইঁদুরবরণ মেয়েটিকে আবারও ইলেকট্রিক স্লিপার খুঁজে দেয়। বছর যায়। বছর আসে। স্বতঃপ্রণোদিত ফিসফিসগুলো প্রতিবন্ধী চিৎকারে পরিণত হয়। যুদ্ধের স্টেশন ছেড়ে আসার দিন সবাই কেঁদেছিল। বেডকভার ও আলোর অপচয় হয়েছিল খুব। বাথরুম ছিল বামদিকে। বামদিকে ছিল শিশুদের সান্ত্বনা ।


যথার্থ পরিমাণে দীর্ঘশ্বাস হয়ে ওঠে লাক্সারি বা বিশ্বব্যাংকের পতন। স্টকে জমিয়ে রাখি সামুদ্রিক জ্যাম। বুকভরতি বাদামগাছ। নিঃশব্দের অন্তিমে গিয়ে ফাঁসিকাঠে ঝোলা ছেলেদের জল খাইয়ে আসি। সোমবার রাতে আমি ইঁদুরবরণের জন্য জানলার উপর দিয়ে হেঁটেছি। প্রপোস গুছিয়ে চলে গেছি তার বাড়ি। তার গালে টোকা মেরে বলেছি গুড গার্ল।


জঙ্গল দৌড়োলো আমার সাথে। তীব্র বেগে ভেঙে গেল বাতাসের ঘর। আমি দৌড়েছিলাম। শ্রমিকদের কলোনি পেরিয়ে ঝাঁ চকচক হাইরোড পেরিয়ে বোকামির সরাইখানা পেরিয়ে আমি দৌড়াচ্ছিলাম। ও সুন্দর ও স্মার্ট। ওর পাশে বসে টিভি দেখো।


মা। জঙ্গল মরে যাচ্ছে। তোমারও সময় হল যাবার। মৃত্যু জীবনের একটা অংশ মাত্র। আমাদের সবার কিছু আঁচড় রেখে যাবার থাকে। আমিও চলে যাব মহাশূন্যের উড়ালে। আমার মনে হয় সকলেই জিতে যাবে তারপর। তোমায় ফেরত দেবার কিছুই নেই ঈশ্বর ও ঈগল। চকোলেট খেতে হবে আরও অনেক। ফুলের তোড়ার মতো পরিপূর্ণ চকোলেট।

অত্রির গুচ্ছকবিতা

আমাদের নতুন বই