লেখক নয় , লেখাই মূলধন

তন্ময় বসাকের কবিতা

তবুও বিক্ষিপ্ত

গতকাল ফিরলাম টুকরো কিছু রোদ থেকে
রাত তখন ২.২৫ নিশ্চিত
জানলার পাশ দিয়ে কারো কারো সংকীর্তন চলছে
আজুহাত পার করে জীবন্ত করছি মানুষজন
এবারের মতো আমাকে ছেড়ে দেওয়া হোক
ভাত চাই আমার। চেটে নিতে চাই শীতচাদর
যখন সকলে গলা ফাঁটিয়ে মরবে
নিশ্চিন্তে ঘুম দেব একখান। এ আন্দোলন সবার জন্য নয়

***

এবং তাঁদের

বাস্তবে আমি তোমার কেউ নই।
উপত্যকায় শরীর নরম হয় পায়ের মাটি থেকে।
এ আমার নির্দিষ্ট চিহ্নেরা। তাকাও। নথি লেখ।
স্বপ্নেরা ছোঁয় না আমাকে। গন্ধে পিছু পিছু হাঁটে।
রাত্রিকালীন মশা ধিক্কার জানাই তাঁদের। যাঁদের নাম নিলে পুলিশ জুতা পেটা করে।

***

চেতনা
পোশাক নেয়। জাতির চরাচর বেয়ে নীচে নামছি।
ফাঁকা এক শূন্যতা আমাদের লিখতে হবে।
খিদে পাই। যে কথা বলতে চাই, কেনো বলা হয় না। তবুও।
পোষ সংক্রান্তি। বিপরীত সর্বনাশ। মেঘ জন্ম নেয় ঘন ঘন।
এই তো শাখা সিঁদুর পরিয়ে খিদে গিলে ফেলব নিজের।

***

ইন্দু রাজ্য

এত না পাওয়ার মাঝখানে, বিহ্বলতার মাঝখানে
তুমি কথায় মনতোষ…
পোশাকী বৈঠক সেরে ব্যস্ত কার্তুজে শান দিচ্ছি।
একটা মেলা পেরিয়ে আরেকটি মেলায়
হামলে পড়ব আমার উপত্যকার পতাকা উড়িয়ে দিতে।

আর আমার ইন্দু রাজ্য পালটে ফেলি দশ অক্ষরে।

***

কালো কবিতা
হাঁ, পাবলিক গুলি আমাকে ডেকে ছিল।
মাঠের মধ্যে বিছিয়ে রেখেছে সারগাম।
হাঁ উদ্ভিদ সাজিয়ে, বাঞ্চদ-দের পতাকা সাজিয়ে,

না, নিঃসঙ্গ হইনি, দু-চারটে কালো কবিতা আমারও ছিল।
দু-চারটে ভ্রুণ আমিও নষ্ট করেছি মুক্তির এজলিসে।

তন্ময় বসাকের কবিতা

আমাদের নতুন বই