প্রবীর মজুমদারের কবিতা

আজীবন

তোমার বাড়ির সামনে দিয়ে
যাইনি বহুদিন।
অথচ জানালা থেকে উঁকি মারলেই
ঝুরঝুর করে তোমার খেলাঘর
ভেঙে যেতে দেখি
ধুলোবালিতে এতদূর থেকেও
শ্বাসকষ্ট টের পাই।

যেন আজীবন দু’জনেই
জানালায় মুখ রেখে বসে আছি।

চিঠি লেখার দিন

চিঠি লেখার দিন ফিরে আসুক আবার। স্কুল থেকে সাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে ফাজিল ছেলেরা মেয়েদের দিকে ছুঁড়ে দিক লাল-নীল-হলুদ রঙের অজস্র সব চিরকুট। গভীর রাতে জলতেষ্টা পেলে গোপন স্রোতের মতো সুধারসে ভিজে যাক সমস্ত হৃদয়। আর কোন এক বিকেলে কেটে যাওয়া ঘুড়ির সাথে কচি কলাপাতার খাম হয়ে খসে পড়ি তোমার ছাদে। দুড়াদাড় করে ছুটে এসে আমাকে তুলে নিতেই ব্জ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টিপাত।

জলসাঘর

তোমাকে একটা দরকারি কথা বলতে গিয়ে বারবার অন্য প্রসঙ্গে চলে যাই। কিছুতেই বলা হয় না। আজ হঠাৎ মনে পড়ে যাওয়াতে বলছি শোন— যেদিন তোমার খুব মন খারাপ, মনে হবে আশেপাশে কোথাও কেউ নেই। সেদিন চোখ বুজলেই দেখতে পাবে মনের ভিতরেও এক জলসাঘর। সে ঘর জুড়ে দীন হয়ে আছে কত রংবেরঙের লতাপাতা। আর এমন দুপুরে তার আড়ালে বেজে ওঠে দিলরুবা।

প্রবীর মজুমদারের কবিতা

আমাদের নতুন বই