লেখক নয় , লেখাই মূলধন

বাপি গাইনের কবিতা

চিত্র: জর্জিয়ো দি চিরিকো


এই দশ কিলো চালের ব্যাগ হচ্ছে কবিতা
মেসবাড়ির এই সরুগলি দিয়ে পাঁচমিনিট হাঁটলে মেন রোড
মেন রোডের ওপারে বাঁ দিকে দ্বিতীয় দোকানে আলাদা আলাদা দামের কবিতা বিক্রি হয়।
এগুলো নিম্নবিত্ত কবিতা।
পেট মোটা। পাছা সরু।


আমার রুমের নীচে যে বিহারী অটোওয়ালা থাকে, সে ভালো কবিতা বানায়। কবিতার আগে সে কবিতার শরীর টিপে টিপে দেখে আর পরিমাণমতো জল দেয়। কয়লার আগুনে তাকে লাল ঈশ্বরের মতো লাগে। ঈশ্বরের কোনো সহকারী নেই।


যেভাবে অতিরিক্ত ফুল হয়ে আসো
যেন বসন্ত আর আসবে না কখনও
এই আত্মপ্রচারের দেশে
এখনও সকাল মানে এইটুকু সহ্যসীমা।


এখানে ছোঁও। এই জলে হাত দাও। বরফের ঘুম ভেঙে পড়ুক। এক মরুভূমিযুগ পর এই যে সকাল— আমার নয় এই বসবাসভূমি। এখানে বেরাব একরাত, একদিন পাথরেও খুব বসে থাকব পিঠে সূর্য অস্ত নিয়ে। দূরে যে সাঁওতাল পল্লি থেকে শব্দ ছন্দ আসে, ওইদিকে চলো যাই। আজ কিছু অনর্থ করে আসি। আজ মহুয়াকে ঠোঁট দেব, বুক দেব, তুমি থেকো পাশে, তুমি থেকো স্বভাবে যেমন। যদি নেশা খুব হয় আর ফিরতে অস্বীকার করি— আমাকে নয়, আমার ইচ্ছেকে সামলে নিয়ো, হাত দিয়ো, এইখানে, আর কোনো কথা আঙুলে বোলো না তুমি।

বাপি গাইনের কবিতা

আমাদের নতুন বই