সুপ্রসন্ন কুণ্ডুর কবিতা

ঘরবাড়ি কথার আদল


কথা বিষ ছড়িয়েছে রাতে
তোমার অভিশম্পাতে বড়োজোর একটা প্রহর,
পথ গুলিয়ে যাবে আশঙ্কার সকালে

যে জীবন পিতৃত্ব বোঝেনি
দাহ পর্ব পেরিয়ে গেলে কিবা এসে যায়…

জল তো রোদের ছায়া
ছায়া শুকিয়ে গেলে কথা বিষ রোদের সমান


দীর্ঘ সময় ঘুরে ফিরে এল সে

কথায় আক্রান্ত হল
আমাদের হাপুস নয়ন

ঘরবাড়ি সেও এক কথার আদল

অপেক্ষা মিথ্যে শোক,
তুমি আমি হেরে যাই গতির বলয়ে


পৃথিবীর সব গাছ মাতৃত্ব বিলোয়
ছায়া দেয় হিমঘরে

যে সন্তান জন্ম সূত্রে মাটিতে পা ফেলেনি,
সেও বোঝে অনুতাপ অর্থহীন
ঠান্ডা ভাতের শোক পিতৃতান্ত্রিক

গর্ভপাত ঘটে যায় মায়ের অভিশাপে


সরল সম্পর্কের গায়ে ঘাস ফুল লেগে থাকে
হাওয়াতে দোলায় মাথা উপসম ভুলে

খুব পরিপাটি একটা মানুষ,
নখের যত্ন নেয় তরিজুত করে
সুখের চিহ্ন মানে,সাজানো বাসর

রোদ ওঠে,বেলা যায় ছায়ার দখলে
সম্পর্ক জলের দাগ, শিশিরে স্বপ্ন খুঁজে ফেরে

১০
স্মৃতিরা মিথ্যে বকে
অহেতুক হাত নাড়ে দূরের বলাকায়

আমাদের মিথ্যে প্রেম
গাছের কোটর থেকে শান্ত মনে হয়

ঘাতক স্বপ্ন আঁকে
স্মৃতিভ্রষ্ট নাবিকের ঘুম ভেঙে যায়

১১
ভুল বানানের পাশে ঠিক শব্দটা বসে থাকে
অনেকটা স্বপ্ন বাঁচে এক রাশ খড়ের গাদায়

যে ছেলেটা পাহাড় কাটে
সেই জানে,
একটা বানান ভুলে
আগুন ছড়িয়ে যায় খড়ের গাদায়

সুপ্রসন্ন কুণ্ডুর কবিতা

আমাদের নতুন বই