By অ্যাডমিন

ঈশানী বসাকের গদ্য

শালুক

বহুদিন হল অপেক্ষা করছি। কেউ জিজ্ঞাসা করেন, কেমন আছেন। কেউ বা বলে, ভালো থাক, কবিতায় বাঁচ। রিলকের চিঠির ফাঁকে ফাঁকে জানতে পারছিলাম যে ফুরিয়ে যাওয়া হারানোর থেকে ভারি সোজা। নির্লিপ্ত যেসব বাড়িগুলো পরপর দাঁড়িয়ে তাদের এইসময় বলি চলে যেতে। Read more “ঈশানী বসাকের গদ্য”

Spread the love
By অ্যাডমিন

ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়ের প্রবন্ধ

উনিশ শতকের কলকাতার বারাঙ্গনা কন্যারা ও তাদের আলোয় ফেরার কিছু কথা

নগরসভ্যতা আর পতিতাবৃত্তি প্রায় সমবয়সি। মধ্যযুগে নগরসভ্যতার অন্যতম ভূষণ ছিল বারাঙ্গনা পল্লি। বারাঙ্গনা সংসর্গ ছিল মধ্যযুগীয় পৌরুষ ও আভিজাত্যের প্রতীক। সে-সব অন্য প্রসঙ্গ। আমি বুঝতে চাইছি আঠেরো/ উনিশ শতকের কলকাতার বারাঙ্গনা সমস্যার উদ্ভব ও তাদের আলোয় ফেরার কথা।
আধুনিক শহরের সমস্ত কদর্যতাকে সঙ্গে নিয়ে নগর কলকাতার ক্রমবিকাশ হয়েছিল আর এদেশে বারাঙ্গনা বৃত্তির উদ্ভব বৃটিশ শাসনের হাত ধরেই। কলকাতার নগরায়ন শুরু হয় পলাশীর যুদ্ধের পর থেকে। সংবাদপত্র দূরের কথা ছাপার যন্ত্রের কথাও তখন কল্পনায় ছিল না। শৈশবের কলকাতায় লোকসংখ্যাই বা কত! ১৭১০ সালে কলকাতা, গোবিন্দপুর ও সুতানুটি যে তিনটি গণ্ডগ্রাম নিয়ে কলকাতা নগরীর পত্তন হয়েছিল সাকুল্যে তার লোকসংখ্যা ছিল দশ হাজার। Read more “ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়ের প্রবন্ধ”

Spread the love
By অ্যাডমিন

মলয় রায়চৌধুরীর প্রবন্ধ

মাতৃত্বের সংজ্ঞায় কুয়াশা

মুম্বাইয়ে প্রতিদিনই সংবাদপত্রে পড়ি, একটি নবজাতককে সমুদ্রের ধারে বা ট্রেনলাইনের পাশে বা বাইপাসের ভেতরে, যে জায়গাগুলো রাতের বেলায় অন্ধকার, কাপড়ে মোড়া পাওয়া গেছে।
এক বা দুই দিনের সেই শিশু ছেলেও হতে পারে বা মেয়েও হতে পারে।
চিনের মতন বা বহু খ্রিস্টধর্মী দেশের গির্জার মতন, আমাদের দেশে অবাঞ্ছিত, অপ্রার্থিত, অনাবশ্যক সন্তানকে লুকিয়ে রেখে যাবার বন্দোবস্ত নেই, যে সন্তানটিকে রাষ্ট্র বা গীর্জা পালন করার দায়িত্ব নেবে। Read more “মলয় রায়চৌধুরীর প্রবন্ধ”

Spread the love
By অ্যাডমিন

শতানীক রায়ের প্রবন্ধ

সেই আমি-র মৃত্যু

মৃত্যু হল সেই চরম শূন্যতা যা আমাদের চেতনার ওপরের অন্য স্রোত। সেখানে অসম্ভব এক দোলন, দেহের চারপাশে বহমান সে-শূন্য কেবলই অজানা থেকে যায়। মঙ্গল চিহ্নে যাকে বাঁধা যায় না, আবার অমঙ্গল বলেও তাকে দাগিয়ে দেওয়া স্পর্ধার হয়ে ওঠে। আমার দেহ আছে সে আমার বোধের আয়তনের মধ্যে পড়ছে তবে যবে আমি থাকব না তখন!! আমার দেহের বিনষ্টকরণের পর আমি কী করে জানব আমি নেই ? আমি যে দেহে মনে সংযুক্ত ছিলাম পৃথিবীতে, সমাজে, মহাবিশ্বে, ব্রহ্মাণ্ডে আর দেহের ক্ষয় হওয়ার পর সমস্ত বোধ দেহহীন হওয়ার পর আমি কি আদতেও জানব যে আমি আর নেই? Read more “শতানীক রায়ের প্রবন্ধ”

Spread the love
By অ্যাডমিন

ফাল্গুনী ঘোষের প্রবন্ধ

বারোমাসে তেরো পার্বণ

বাঙালির নাকি বারো মাসে তের পাবণ। ভাগ্যিস! এই উৎসবের সুবাদেই তো একঘেঁয়েমির অসুর দমন সম্ভব হয়ে ওঠে। Read more “ফাল্গুনী ঘোষের প্রবন্ধ”

Spread the love
By অ্যাডমিন

সুকান্ত ঘোষের প্রবন্ধ

শিশিরকুমার দাশ: জ্ঞানচর্চার আলোকে (প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য)

  1. একটা অভিজ্ঞতা দিয়ে শুরু করব। সময়টা ২০০৮, সাল ট্রেনে করে দিল্লি থেকে বাড়ি ফিরছি। ট্রেনে এক ভদ্রলোক আমায় জিজ্ঞেস করলেন, দিল্লিতে আমি কী করি? তখন আমি এম.এ পড়ছিলাম। আমিও সদুত্তর দিলাম— আধুনিক ভারতীয় ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে বাংলায় এম.এ করছি। তিনি বলেছিলেন— যে বিভাগে শিশিরকুমার দাশ পড়িয়েছেন তার মান তো অপরিসীম। আমি একটু দ্বিধানি্বতভাবে উত্তর দিয়েছিলাম— হ্যাঁ। কারণ তখন তাঁর কর্মজগৎ ও জ্ঞানজগতের সঙ্গে আমার কোনো পরিচয় ছিল না। এখনো যে খুব একটা পরিচিতি হয়েছে এমন দাবী করছি না। কিন্তু যে সামান্য পরিচয় পেয়েছি তাতে খানিকটা আন্দাজ করতে পারি, নয় বছর আগে সেই ভদ্রলোকের কথার তাৎপর্যখানি। Read more “সুকান্ত ঘোষের প্রবন্ধ”
Spread the love
By অ্যাডমিন

টমাস ট্রান্সট্রোমারের কবিতা/ ভাষান্তর: রমিত দে

স্মৃতিরা আমায় দেখছে

জুনের সেই সকালটা
যখন এতটা দেরিও হয়নি ঘুম থেকে ওঠার
আবার ঘুমোতে যাওয়ার তাড়া নেই।

Read more “টমাস ট্রান্সট্রোমারের কবিতা/ ভাষান্তর: রমিত দে”

Spread the love
By অ্যাডমিন

হাঁসদা সৌভেন্দ্র শেখরের গল্প

ভয়ের অন্ধকার

ভাষান্তর: কবির দেব

একটা ব্যস্ত দিন — সকাল আটটা থেকে দুপুর দুটো অবদি— সদর হাসপাতালে, যখন আমার চারটে বিভাগ একসঙ্গে দেখতে হচ্ছিল, ঠিক তখনই হাসপাতালের সুপার আমাকে ডেকে পাঠালেন। আমার কেবিনের সামনে একটা বেস ভালো ভিড় জমেছে— একটা অবশ ভিড় যা আমাদের কোনো অনুরোধ মানতে পারছে না অথবা চাইছে না যাতে এই হাসপাতালে একটা শান্তি বজায় থাকে। আমি তাদের কে বললাম যে আমি খুব শিগগিরই আসছি। এই বলে আমি ও.পি.ডি থেকে বেড়িয়ে চলে গেলাম। Read more “হাঁসদা সৌভেন্দ্র শেখরের গল্প”

Spread the love
By অ্যাডমিন

ইনগমার বার্গম্যানের সাক্ষাৎকার

দোটানায় ইনগমার বার্গম্যান

সাক্ষাৎকার গ্রহীতা: ভিলগোট স্যোম্যান (১৯৫৭)
ভাষান্তর: বিদিশা

সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটা। জানালার বাইরের ম্লান সূর্যের মতোই মহড়া কক্ষের পরিবেশটাও বেশ থমথমে। মহড়া আজকের মতো শেষ। Read more “ইনগমার বার্গম্যানের সাক্ষাৎকার”

Spread the love