Categories
উৎসব সংখ্যা ২০১৯ কবিতা

পার্থজিৎ চন্দের কবিতা

অন্তিম

তাঁত থেকে মাকু উপড়ে ফেলেছি। রক্তপাতহীন হত্যাপ্রণালী ও রাত্রি ঘাতক
: ঘনঘোর আবরণ আজ ভূমিকাবিহীন। তবে আমি ফিরে যাই
: এই ঘরে পশুছাল। আমি যাকে প্রতিদিন মারি সে আমার অন্তিম হনন
: আমি সেই প্রাচীন গোসাপ, যে তোমার সোনার আংটি সচেতন গিলে ফেলেছিল
: বঁড়শি-বেঁধা ঠোঁটে অন্তিম চুম্বন। আমাদের মীনজন্মে ফাটা ওষ্ঠাধর

চিত্র: ইভস্ ট্যাঙ্গি

জন্মে জন্মে কেন শুধু আমাদেরই ডেকে যায় অগ্নি-সরোবর!

জাতিস্মর

মনে পড়বে জাতিস্মর জন্মের কথা

মনে পড়বে বিষণ্ণ বৃষ্টির রেখা; দূর উপত্যকা

মনে পড়বে সেই রহস্যময় হ্রদ
যার থেকে মাঝরাত্তিরে উঠে আসে
তামস-মহিষ, তার অদৃশ্য মাথায়
ঝকঝকে শত-সহস্র শিং

মনে পড়বে তার নিঃশ্বাস
পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নামে
মানুষের গায়ে পড়ে
আর ঘুমের ভেতর
টলটলে রক্তহ্রদের চারপাশে
মানুষের দীর্ঘ পর্যটন শুরু হয়ে যায়

One reply on “পার্থজিৎ চন্দের কবিতা”

পার্থজিৎ আমার প্রিয় কবি হয়ে উঠছেন ক্রমেক্রমে। তাঁর সঙ্গে আমার অতিপরিচয় নেই–তথ্যটি মনে রাখলে এটি স্পষ্ট হবে যে, তাঁর কবিতা সম্পর্কে যা বলছি, তাতে অতিশয়োক্তি নেই।
‘অন্তিম’ কবিতাটি অসামান্য, বারবার পড়ার দাবি রাখে। কবিকে নমস্কার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *