Categories
কবিতা

সমন্বয়ের গুচ্ছকবিতা

ক্ষরণ অতএব কাঠপোকামুক্তি


শব্দের আগাগোড়া বুঝে নিলে মধ্যের শ্বাস ভাস্কর হতে পারে না। শব্দ হাঁপায়, সাদা বুকে দীর্ঘ শ্বাসের ভারে শুয়ে পড়ে। অধিক হাঙ্গামার পর পাতারা হিমাচল খুঁজতে যায়…


যেরকম হন্যে হয়ে ঘুরেছে ঘড়ির কাটা সেরকম কি তুমিও চেয়েছ আমাকে ঘোরাতে… জানি দুটো পথের ফাঁকে অপেক্ষা নিভে গেছে। জানি জলের নীচে জল বয়ে গেছে, থামেনি…


এখন ঢাকনা বুঁজে গেলে অশ্রুতে দিনলিপি লেখা হয়, ঠোঁটে ভিখারির তাপ তরতরিয়ে ঘামে— এখন সময়ের গুহা কেটে আমাদের জন্মতিথি থলেভর্তি বাজার নিয়ে ফেরে।


বন্ধুর মুখস্থ মুখোস খুলে মুখ বের হলে মুখস্থ আয়নাও প্রতিবাদ করবে তোমার, আকাশের খোচর সেজে তুমি আর কতদিন— এবারে মুঠো খুলে আকাশে পাথর ছুঁড়ে দাও।


কবিতা যখন জন্মলগ্ন ছাড়িয়ে ড্রামবিটের মতন কড়া হয়, আয়না যখন নিজস্ব আগ্নেয় চক্রান্ত দেখে ঘামে, যখন ঘুমন্ত প্রহরীরা খোলা শরীরে পেরেক গাঁথে, বুঝি নিমগ্ন তুমি ঘুমকবি— ছাতিম তুমি আছো, ভালোবাসা!

2 replies on “সমন্বয়ের গুচ্ছকবিতা”

খুব ভালো আর তরতাজা লেখা ।সমন্বয়ের সঙ্গে পুরুলিয়ায় আলাপ ।মনে হয়েছিল ওর লেখায় প্রতিশ্রুতি আছে ।এই অসাধারণ লেখাগুলি তারই প্রযত্ন প্রয়াস ।

খুব ভালো লাগলো… আমার জন্য এই ধরণের লেখা পরা নতুন তাই বেশ অন্যরকম লাগলো… আরো লিখতে থাকো পোস্ট করো.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *