সুতীর্থ দাশের গদ্য

ভেসে আসে— ওই ইথার তরঙ্গে

একটি জনপ্রিয় বাংলা ছবি। সিনেমার পর্দায় ভেসে উঠেছে ভোরের উত্তর কলকাতার ছবি। ক্যামেরা ধীরে ধীরে এগিয়ে চলেছে পুরোনো একটি বাড়ির ভিতরে। একতলার উঠোনে বাড়ির এক মহিলা একটি জ্বলন্ত উনুন নিয়ে এসে রাখলেন এবং নীচু হয়ে বসে একটি হাতপাখা দিয়ে উনুনে হাওয়া করতে শুরু করলেন। ধোঁয়ার কুণ্ডলি পাকিয়ে ধীরে ধীরে ওপর দিকে উঠতে দেখা যায়। আর ঠিক তখনই ব্যাকগ্রাউন্ডে শোনা যায় এক চিরপরিচিত সুর। যে-সুর ভোরের প্রতীক। যে-সুর আবার একটা নতুন দিন শুরু হওয়ার প্রতীক। ভারতীয় চলচ্চিত্রে এ এক অলিখিত নিয়ম ছিল কোনো এক সময়— যে-কোনো ছবির দৃশ্যে ভোর হয়েছে বোঝাতে এই সুরটি বাজানো হত আবহাওয়া সংগীত হিসেবে। এই সুরের সৃষ্টি হয় ১৯৩৬ সালে। এই সুরের স্রষ্টা ছিলেন চেকস্লোভাকিয়ার এক ইহুদি সংগীতকার ওয়াল্টার কফম্যান, যিনি এই সুরটি সৃষ্টি করেন অল ইন্ডিয়া রেডিয়োর জন্য একটি সিগনেচার ট্যুনের জন্ম দিতে। সুদীর্ঘ ৮৩ বছর পরেও আজও সেই সুর ততটাই জনপ্রিয় যতটা সেটি প্রথম দিন ছিল। সেই সুর, যে সুর কানে ভেসে এলেই অনায়াসে বলে দেওয়া যায় যে কোথাও রেডিয়ো বাজছে। এ সুর যে রেডিয়োরও প্রতীক।

— ‘অলিখিত নিয়ম কোনো এক সময় কেন কাকু’, শ্রুতি আমাকে বলল, ‘আজও ইন্ডিয়ান সিনেমা এই নিয়মের বাইরে বেরোতেই পারল না তো। এখনও ছবিতে ভোর বোঝাতে হলে অল ইন্ডিয়া রেডিয়োর সিগনেচার ট্যুন বাজিয়ে বোঝাতে হবে।’

— ‘তা কেন?’, আমি বোঝালাম, ‘সুর্য উঠছে, পাখির কলরব ইত্যাদি দিয়েও বোঝান হয়। অ্যালার্ম ক্লক, মোরগের ডাক এই তো, সেদিন কোন একটা ছবিতে দেখছিলাম ওয়াটার পিওরিফায়ার ফিল্টারের মিউজিক দিয়ে সকাল বোঝানো হয়েছে।’

হাহা করে হেসে উঠল শ্রুতি, ‘কাকু, ছবি দেখে তুমি বলতে পারবে কোনটা সুর্যোদয় বা কোনটা সুর্য্যাস্ত। আর পাখির কিচির-মিচির কলরব? সে তো দিনে দুবেলাই শোনা যেতে পারে। আসলে আকাশবাণীর এই সিগনেচার টিউনটাই বোধহয় একমাত্র টিউন যা ভোরবেলাকে চিহ্নিত করে।’

শ্রুতি ঠিকই বলেছে। আমি ওর কথাটা অস্বীকার করতে পারলাম না। সত্যিই তো, অনেক ভেবে দেখেছি, কিন্তু এমন কোনো কিছুই পাইনি যেটা দিয়ে কোনো ছায়াছবিতে ‘ভোর’ হওয়া বোঝানো যায়। অ্যালার্ম ক্লকের শব্দ কিংবা মোরগের ডাক ব্যবহার করা যেতে পারলেও, এই দুটোর কোনোটাই আকাশবাণীর সিগনেচার টিউনের ব্যবহারকে টেক্কা দিতে পারবে না। এইখানেই রেডিয়ো কতটা জনপ্রিয় সেটা বোঝা যায় আর সেই জনপ্রিয়তা হয়তো অন্য যে-কোনো মাধ্যমকে দশ গোল দিতেও সক্ষম। এর নামই রেডিয়ো যার শুরুতেই— মানে ওই সিগনেচারেই বাজিমাত! বাঙালির জীবনের সাথে এই রেডিয়ো নামক যন্ত্রটি জন্মলগ্ন থেকে জড়িয়ে আছে।

ইট কাঠ সিমেন্টের তৈরি বাড়িতে যেমন চিলেকোঠার ঘর নামক একটি স্থান থাকে, তেমনি সবার ছেলেবেলার স্মৃতিতেও এমন একটা চিলেকোঠার ঘর থাকে। সেখানে ধুলো মেখে জমে থাকে বহু কাজের অকাজের জিনিসপত্তর। থাকে কিছু ছবি সাঁটা একটা পুরোনো অ্যালবাম, কিছু গল্পে ভরা বই, হারিয়ে যাওয়া কিছু খেলনা, বাড়ির রোজনামচা থেকে খসে পড়া কিছু সাক্ষ-প্রমাণ এবং অন্যান্য আরও অনেক কিছু। আমার স্মৃতির চিলেকোঠার ঘরটিও অন্যদের চেয়ে খুব একটা আলাদা না হলেও কোথায় যেন একটু ভিন্ন ছিল। সেখানেও এ-সব কিছুই আছে যা স্মৃতির চিলেকোঠার ঘরে থাকা উচিত। তবে সেখানে অনেক কিছুর মধ্যে আছে আরেকটি জিনিস। সেটা একটি রেডিয়ো-সেট। হয়তো অন্য অনেকেরই ছেলেবেলার স্মৃতি জুড়েও এমন একটি রেডিওসেট থাকতে পারে, কিন্তু আমার ক্ষেত্রে সেই রেডিয়োটি, স্মৃতির অনেকটাই জুড়ে। শুধু তাই নয়, পরবর্তিকালে সেই রেডিয়ো-সেট স্মৃতির চিলেকোঠার ঘরের অন্ধকারে পড়ে না থেকে, আমার জীবনে অপ্রত্যাশিত ভাবে, একটা গুরুত্বপূর্ণ জায়গা করে নিয়েছে। পেশাগতভাবে কখন যে আমি এই রেডিয়োর সাথে যুক্ত হলাম, তা নিজেই বুঝতে পারলাম না।

ছেলেবেলায় দেখেছি, আমাদের বাড়িতে একটা মস্ত রেডিয়ো-সেট ছিল। সেটটির নাম ছিল ‘কজমিক’। যেদিন থেকে জ্ঞান হয়েছে, সেদিন থেকেই ওই রেডিয়ো-সেটটি আমাদের বাড়িতে দেখেছি। মনে পড়ে না সেটা কবে ছিল না। আমাদের কাছে বাড়ির অন্যান্য সকলের মতনই সে ছিল খুব গুরুত্বপূর্ণ এক সদস্য। সেটিকে সুন্দর করে সাজিয়ে, বসার ঘরের একদিকের দেওয়ালে, মাঝারি উচ্চতার একটি তাকে সাজিয়ে রাখা ছিল । শুধুই যে সাজিয়ে রাখা ছিল তা নয়, রেডিয়োটা ধুলোর হাত থেকে বাঁচাতে একটি কভারও তৈরি করেছিলেন আমার মা। তাতে আবার যত্ন করে এমব্রয়েডারির কাজ করা ছিল। রেডিইয়ো বলতে ছিল একটা একটা পালিশ করা কাঠের বাক্স যার সামনের দিকে ওপরের ডানদিকের কোণে একটা জানালার মতন কী যেন ছিল। নীচের দুই প্রান্তে ছিল দুটো গোল ‘নব’ আর ওই গোল নব দুটোর মাঝখানে ছিল গোটা চারেক বোতাম। রেডিয়োটা চালালে ওই ছোট্ট জানালার ভিতরে আলো জ্বলে উঠত। বড়োদের কে যেন আমাকে বুঝিয়েছিলেন যে ওই জানালা দিয়ে যে-আলোটা দেখা যাচ্ছে সেটা হল যারা গান করেন ভিতরে, তাদের ঘরের আলো। আমারও বদ্ধমূল একটা ধারণা হয়ে গিয়েছিল যে রেডিয়োর ওই বাক্সটার ভিতরে আর্টিস্টরা বসে থাকে আর রেডিয়ো চালালেই গান গায়, খবর পড়ে ইত্যাদি। কথাটা অবিশ্বাসই বা কী করে করি। কয়েক বছর পরে তো দেখলামই সেটা ঘটতে। ‘রেডিয়োটা’ কেমন মস্ত বড়ো আকারের হয়ে গেল আর ওই ছোট্ট জানলাটি আর ছোট্টটি থাকল না। ওই ছোট্ট রেডিয়োটা বেশ বড়ো হয়ে গেল আর আর তার সামনের প্রায় পুরোটাই জুড়ে ছিল সেই জানলা যার বাইরে থেকে আমরা দেখতে পেতাম ভিতরে কী হচ্ছে। ওটাকে কেন জানি না লোকে রেডিয়ো না বলে সেটাকে ‘টিভি’ বলতে শুরু করল।

যাইহোক, ওই ছোট্ট জানলাওয়ালা রেডিয়োটা, তাকের ওপর যেখানে রাখা ছিল, সেখানে বড়োরা সকলেই নাগাল পেতেন কিন্তু আমরা দুই ভাই হাত পেতাম না। আমার কাছে সেই মস্ত কাঠের বাক্সটা ছিল বিস্ময়কর একটা যন্ত্র। বাবাকে রোজ দেখতাম সন্ধ্যাবেলা বাড়ি ফিরে, গা হাত পা ধুয়ে, সমনের ঘরে চা জলখাবার নিয়ে বসার আগে রেডিয়োটা চালাতে ভুলতেন না। খবর, সমীক্ষা, গান, বিজ্ঞাপনদাতা দ্বারা অয়োজিত অনুষ্ঠান— একটার পর একটা চলতে থাকত। তারই মাঝে চলত বন্ধুদের সাথে আড্ডা, আসত দফায় দফায় চা, তারপর রেডিয়োতে শোনা খবরকে কেন্দ্র করে কখনো হয়তো লেগে যেত জোর তর্ক। রেডিয়ো কিন্তু তখনও বেজে যেত আপন ছন্দে। সমস্ত বিশ্বের সাথে যোগাযোগ তো এই রেডিয়োর মারফতই ছিল। কিন্তু তবুও, রেডিয়ো বললেই সেদিন বা আজকেও, প্রথমেই যা মনে আসে, তা হল, মুখ্যত এটি গান শোনার একটি যন্ত্র।

— ‘তাই ভাবি’, শ্রুতি আবার রেডিয়োর প্রসঙ্গ টানল, ‘রেডিয়ো না থাকলে বাঙালির গান নিয়ে চর্চা কী করে হত?’

— ‘কেন? রেডিয়ো যখন ছিল না তখন কি এই শহরে কেউ গান শুনত না? ভুলে যেয়ো না, এই বাংলায় এক সময় পাঠান মোঘলদের রাজত্ব ছিল। তাঁদের হাত ধরে ‘ওস্তাদি গান’ এসেছিল এই রাজ্যে। মজলিশ বসতো খেয়াল, টপ্পা, ঠুংরি গানের…’

— ‘আরে সে তো বড়ো বড়ো লোকদের জন্য। সাধারণ লোকজন কিংবা ওই চাষী-মজুররা কী শুনত তাহলে?’

— ‘সাধারণ মানুষ গান শুনবে না, তা হয় নাকি?’,

আমি বোঝালাম, ‘তাদের ছিল লোকগান। কীর্তন, বাউলগান, কবিগান, আখড়াই, হাফ আখড়াই।’

হ্যাঁ, বাঙালির গান শোনার অভ্যাসটা বহুকালের। কিন্তু, সে-অভ্যাস কবিগান, আখড়াই, হাফ আখড়াই, খেয়াল, টপ্পা হয়ে যেদিন রবীন্দ্রযুগে প্রবেশ করল সেদিন বোধহয় বাঙালির সংগীতচর্চার চেহারার বদল ঘটল। শুধু তাই নয়, সেই বোধহয় সমসাময়িক আধুনিক বাংলা গান নিয়ে চর্চার যুগশুরু হল। কিন্তু যাত্রা, জলসা বা মজলিসের বাইরে সে-গান শোনার তো তেমন সুব্যবস্থা ছিল না। তেমনই সাধারণ মানুষের কাছে সে-গান পোঁছিয়ে দেবার ব্যবস্থাও ছিল না। সে-গান পৌঁছিয়ে দিতে প্রয়োজন ছিল এক মাধ্যম যার সাহায্যে ঘরে ঘরে সংগীতপ্রিয় বাঙালি শুনবে তার প্রিয় গান। পরবর্তীকালে, রেডিয়ো সেই কাজ করতে সক্ষম হয়েছিল। বাঙালির দৈনন্দিন জীবনের সাথে যুক্ত হয়েছিল রেডিয়ো। যদিও সেটা ঘটতে অনেকটা সময় লেগেছিল। বিগত শতাব্দীর দ্বিতীয় দশকে ভারতবর্ষে রেডিয়োর আবির্ভাব ঘটল। তার পরেরটা তো ইতিহাস!

রেডিয়োর সাথে কবে থেকে যোগাযোগ, সেটা ভাবতে গেলেই বহু বছর আগের কোনো এক সময় চলে যেতে হয় যেখানে মুখোমুখি হতে এক ছোট্ট শিশুর । সে-শিশুটি সবে হয়তো দুধের পাশাপাশি অল্প অল্প গলা ভাত খেতে শিখেছে, কিন্তু তখন থেকেই নাকি রেডিয়োর গানের সাথে সাথে সে মাথা দুলিয়ে দুলিয়ে খেত। কতই-বা বয়স? ছ-মাস কি আট মাস। হাত-পা হয়তো শক্তপোক্ত হয়নি কিন্তু তার কানটা যেন তৈরি হয়ে উঠছিল সেই বয়েসেই। শিশুটির মা তাকে একটি হাতল দেওয়া চেয়ারে বসিয়ে কোনো ধুতি বা শাড়ি দিয়ে বেঁধে দিতেন আর সেই সঙ্গে শিশুটিকে ব্যস্ত রাখতে রেডিয়োটা চালিয়ে দিয়ে নিজের কাজকর্ম করতেন। হ্যাঁ, এটা রেডিয়োর চিরকালের ধর্ম। কাজকর্ম করার সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে রেডিয়োটা বাজানো শ্রোতাদের পুরনো অভ্যাস। সেদিনও বাজত, আজও বাজে। আর তাই বোধহয় রেডিয়ো তার তাৎপর্য বা গুরুত্ব— কোনোটাই হারায়নি। নতুন প্রযুক্তির হাত ধরে হয়তো কিছু রদবদল ঘটেছে বা অদূর ভবিষ্যতে আরও ঘটবে কিন্তু তার জন্য রেডিয়ো পিছিয়ে পড়বে না, বরঞ্চ আরও আধুনিক হবে আর শ্রোতা আরও সমৃদ্ধ হবে । মাত্র আর কয়েক বছর পরেই রেডিয়ো তার শতবর্ষ অতিক্রম করবে। আজ যাঁরা রেডিয়োর শ্রোতা, তাঁরা হয়তো সেইদিন এক ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হয়ে থাকবেন ।

— ‘হ্যাঁ তাও তো বটে। একশো বছর হতে চলল তো’, শ্রুতি নড়েচড়ে বসল, ‘কিন্তু ভারতবর্ষে কোন দিনটাকে রেডিয়োর জন্মদিন বলে পালন করবে? অনেকগুলো তারিখই তো উঠে আসছে।’

— ‘ঠিক তা নয়’, বোঝাতে চেষ্টা করলাম, ‘রেডিয়ো এই দেশে প্রথম প্রচার শুরু করে মুম্বাই শহরে ১৯২৩ সালের জুন মাসে । এটা রীতিমত সরকারি অনুমতি নিয়ে ‘বম্বে রেডিয়ো ক্লাব’ এক বেসরকারি প্রচার মাধ্যম স্থাপন করে। আর ওই বছরই নভেম্বর মাসে ‘ক্যালকাটা রেডিয়ো ক্লাব’ একই পদ্ধতিতে এই কলকাতায় রেডিয়ো প্রচারের ব্যবস্থা করে।’

— ‘মানে সেই কুড়ির দশকেও এই দেশে প্রাইভেট রেডিয়ো স্টেশন ছিল!’

— ‘অনেকটা তাই, যদিও এই দুটি স্টেশনকে একটি ছাতার তলায় আনতে জুলাই ১৯২৭ সালে গঠিত হয় ইন্ডিয়ান ব্রডকাস্টিং কম্পানি। অবশ্য, প্রচুর আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির কারণে ইন্ডিয়ান ব্রডকাস্টিং কম্পানি লাটে ওঠে। এর পরেই তো ১৯৩০ সালে সরকার এই রেডিয়োর মালিকানা গ্রহণ করল।’

— ‘এটা জানি’, গদগদ হয়ে বলল শ্রুতি, ‘তখনও সূচনা ও প্রসার মন্ত্রক তৈরি হয়নি। এপ্রিল ১৯৩০ সালে শিল্প ও শ্রম মন্ত্রকের অধীনে স্থাপিত হল ‘ইন্ডিয়ান স্টেট ব্রডকাস্টিং সার্ভিস যা আরও ছ-বছর পরে ১৯৩৬ সালে অল ইন্ডিয়া রেডিয়ো নামে এর পরিচিতি ঘটে। এবার দেখতে হবে ১৯৩০ না ১৯৩৬-কে রেডিয়োর জন্মদিন হিসেবে দেখা হবে… নাকি ১৯২৩, মানে যে-বছর প্রথম রেডিয়োর প্রকাশ ঘটে।’

— ‘যে বছরই হোক’, আমার মত জানালাম, ‘অল্প কিছু মানগত পরিবর্তন ছাড়া, রেডিয়ো তো খুব একটা বদলায়নি এবং এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়।’

না, সত্যিই বদলায়নি রেডিয়ো।

Spread the love
By Editor Editor গদ্য 1 Comment

1 Comment

  • এই গদ্যটা এই পত্রিকার একটা মূল্যবান প্রকাশ। ছোটবেলাটা কারেন্টবিহীন গ্রামে কাটানোর সময় রেডিও ছিল আমাদের একমাত্র বিনোদন। অনেক সুন্দর স্মৃতি রয়েছে এসব নিয়ে। লেখককে ধন্যবাদ।

    Shirsha Mondal,
  • Your email address will not be published. Required fields are marked *