Categories
আত্মপ্রকাশ সংখ্যা কবিতা

শুভম চক্রবর্তীর কবিতা

বাড়ি

মেঘের ঈশ্বর আমি
ঈশ্বরের মেঘমুক্ত বাড়ি
বিষাদটোটেম ছুঁড়ে
ঘরছাড়া করি; তবে ছাড়ি!

Categories
আত্মপ্রকাশ সংখ্যা কবিতা

সেখ সাদ্দাম হোসেনের কবিতা

গুজারিশ


ও বাড়ির ছাদ, এ বাড়ির কার্নিশের সাথে কথা বলছে না আর
প্রাচীরের পাশে একটা নির্জন বেড়ে উঠছে

Categories
আত্মপ্রকাশ সংখ্যা কবিতা

প্রগতি বৈরাগী কবিতা

বিলো দ্য বেল্ট


ডিওরের পাশে বেমালুম ধরে যাচ্ছে ডাস ক্যাপিটাল
রাষ্ট্র আমাকে উদার করেছে, রঙিন…
চওড়া হাসতে হাসতে,
আমি এ ফাল্গুনে কিনে এনেছি
কালো চশমা আর সাদা লাঠি

Categories
আত্মপ্রকাশ সংখ্যা কবিতা

শাশ্বতী সরকারের কবিতা


জানালা

হে জন্মের চাওয়া,
তখনই বলেছিলাম এসো
আজ আমার সময় হবে না

Categories
আত্মপ্রকাশ সংখ্যা কবিতা

গৌরাঙ্গ মণ্ডলের কবিতা

মহাজন

ছেঁড়া ল্যাঙটের মতো পুরোনো হাতের লেখা
কাউকে দেখাই না বা
দেখি না নিজেও

Categories
আত্মপ্রকাশ সংখ্যা কবিতা

বিশ্বজিৎ মাহাতর কবিতা

দুঃখ সাঁতার

আমি একা একটি শব্দ
প্রেমিকাকে মনে রাখতে হয়
ভেজানো আগুনের শীর্ষদেশে…

Categories
আত্মপ্রকাশ সংখ্যা কবিতা

হৃদয় দাসের গুচ্ছকবিতা

স্তন


স্তনে একটা কাঠঠোকরা বসে আছে। ঠোকরাবে?
পোকা নেই। মাংসালো পিণ্ড।
এখানে বসে থাকার কথা নেতা-মন্ত্রীর।
তবুও বসে আছে কাঠঠোকরা। স্তন কাঁপছে।

Categories
আত্মপ্রকাশ সংখ্যা গল্প

সুজন ভট্টাচার্যের গল্প

ধরিত্রী

– কিচ্ছু খাবার নাই ঘরে? মেঝেতে বসে সুবল একবার মিনমিন করে মিনতির দিকে তাকিয়ে বলে। মিনতি ফিরেও তাকায় না ওর দিকে। তার মানে নেই। নেই মানে তো নেই। কেন নেই, সে গল্প আর নতুন করে পেড়ে কী হবে! কাজেই সুবলকে বেরোতেই হবে। যদি না বেরোয়, দুপুরেও নেই, রাতেও। কিন্তু বেরোতে পারবে কী? এমনিতে বৃষ্টি ধরার নামগন্ধ নেই। তার উপর আজ যেন কেমন খিমচে খিমচে ধরছে বুক আর পেটের ভিতরে। শেষ খেয়েছিল কাল দুপুরে। দুটো পাউরুটি। তার থেকে আবার খানিকটা দিতে হয়েছিল মিনতিকে। বড়ো ছেলেটা ওর ভাগের থেকে খাবলা মেরে পালিয়েছিল। কাজেই খিদের আর দোষ কী!

Categories
আত্মপ্রকাশ সংখ্যা গল্প

শুভংকর গুহর গল্প

লেনিন

কিছুটা এগিয়ে গেলে, বাঁ দিকে সামান্য বাঁক নিলে, হাটখোলার মোড়। স্থায়ী দোকানপাট। ঝিমানো। কখনও কখনও লোকজন আর টুকটুকি অটো আর ক্লান্ত বিষণ্ণ রাতজাগা গরুযান। আরও একটু এগিয়ে গেলে পাকা রাস্তা। হাইরোড। বাস স্ট্যান্ড। শত প্রাচীন একটি নিম গাছ। নিম গাছের নীচে কুড়িয়ে নেওয়া পাথরের থান, সিন্দুরের বৈভব ছড়ানো, তেলচিটে। পাশে মাটির পুতুলের দোকান। বাসযাত্রীরা বাসে ওঠা ও নামার আগে মাটির পুতুলের দোকানের দিকে একবার তাকাবে, কেউ কেউ পুতুলের দোকানের সামনে এসে দাঁড়াবে। পরের পর কাঠের পাটাতনের ওপরে সারি সারি মাটির পুতুল। কত ধরনের পুতুল।

Categories
আত্মপ্রকাশ সংখ্যা গল্প

রিপন হালদারের গল্প

দ্য বয় উইথ দ্য বাই-সাইকেল

যত এগোচ্ছে গল্পটা ততই যেন গোলক ধাঁধায় আটকে পড়ছে। ট্যুইস্টের পর ট্যুইস্ট গল্পটাকে ওঠালো বাস্তব থেকে অনেক উপরে, যেখানে গোরুর চার পা হাতের আবেষ্টনী হয়ে ধীরে ধীরে উঠে যায় গাছে।