Categories
কবিতা

আম্রপালী দে’র গুচ্ছকবিতা

কিছু অশিক্ষিত বুলি

নিজের সম্পর্কে কী বলি
নিঃসঙ্গ দুঃখের মাঝামাঝি আছি বলে কত ছোটো হওয়া যায়

দূরে নীল চোখের বালক সভ্যতার মশাল হাতে

Categories
কবিতা

সঙ্ঘমিত্রা হালদারের গুচ্ছকবিতা

বধির

আকাশ ফাটানো এক চিৎকার আমাকে
পাচ্ছে, তুমি দেখালে তখন ছিপি আঁটা দমবন্ধ এক ঘর
পায়ের কাছে একটা ঝিমিয়ে থাকা পাপোশ দেখালে তুমি

যখন ঝাঁঝরা হয়ে যাচ্ছি

Categories
কবিতা

দেবাশিস বিশ্বাসের দীর্ঘকবিতা

ওম

উচ্চ গভীরতায় ডুবে যায় এসমস্ত শিস

কী তুমি দেখেছ বা কীসে তুমি পিঠ ঘষে উঠিয়ে যাচ্ছ ছাল
গাছের বয়স বাড়ে। দেখে, মতিলাল ইলেকট্রিক করাত কিনেছে…

Categories
অনুবাদ কবিতা

ফ্র্যাঙ্ক ও’হারা-র গুচ্ছকবিতা

অনুবাদ: তিমিরকান্তি ঘোষ

কেন আমি একজন চিত্রশিল্পী নই

কেন আমি একজন চিত্রশিল্পী নই?
কেন আমি একজন কবি?
আমার মনে হয়
আমার চিত্রশিল্পী হওয়া উচিত ছিল

Categories
কবিতা

অরিত্র সান্যালের গুচ্ছকবিতা

অনেকদিন চলার পর
অদ্য দ্বিপ্রহর বারো ঘটিকায় দিবালোক খারাপ হয়ে গেছে।
সত্বর আমাদিগের ভিন্ন একটি নক্ষত্র না হইলে

Categories
আফিম: অলোকপর্ণা উপন্যাস ধারাবাহিক

অলোকপর্ণার ধারাবাহিক উপন্যাস: আফিম (তৃতীয় পর্ব)

একতলা হাতি আর ইঁদুরের

আজ খুশির ঈদ। মদিনার ঘরে ঘরে আনন্দ! আজ রশিদা বেগমের শোকের দিন। আজ রশিদা বেগমের বড়ো ছেলে, বড়ো মেয়ে ছোটো মেয়ের বাপ,— ফয়জুল রহমানের অন্তর্ধান দিবস। যেন সহস্র বছর পূর্বে আজকের একফালি চাঁদের এই বিশেষ দিনটিতে খালি পায়ে সাইকেলে চড়ে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন ফয়জুল রহমান। চটি-জুতো পড়ে ছিল দুয়ারে। মানিব্যাগ, পকেটচিরুনি, হাতঘড়ি, রুমাল দেরাজে ঠায় বসে ছিল একে-অপরের পানে চেয়ে।

Categories
প্রবন্ধ

রবিউল ইসলামের প্রবন্ধ

তিরুকুরল: আদর্শ জীবন চর্যার এক পাঠ

তামিল সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং ‘দক্ষিণ ভারতের বেদ’ বলে পরিচিত ‘তিরুকুরল’ আনুমানিক খ্রীঃ পূঃ চতুর্থ শতাব্দীর পূর্বে তিরুবল্লুবর রচনা করেছিলেন। এই নিবন্ধের মূল বিষয়ে যাবার পূর্বে ‘তিরুকুরল’ সম্পর্কে জেনে নেওয়া প্রয়োজন। ‘তিরুকুরল’-এ ১৩৩০টি শ্লোক ধর্ম, অর্থ ও কামকে কেন্দ্র করে লেখা হয়েছে।

Categories
কবিতা

শুভম চক্রবর্তীর কবিতা

ঘুম ভেঙে গেলে

ঘুম ভেঙে যাওয়া অন্ধকার রাতে তারাভরা আকাশের দিকে তাকালে শ্যামা মায়ের কথা মনে পড়ে
আর শ্যামা মায়ের দিকে তাকালে তারাভরা আকাশের কথা

Categories
গদ্য

প্রীতম বসাকের গদ্য

কবির খণ্ড জীবন


এইখানে ব’সো। দুঃখকে কিছুটা দূর থেকে দেখা ভালো। যেমন পাহাড়ের মাথায় জমে থাকা মেঘ দেখতে তুমি পাহাড়ে ওঠোনি কোনোদিন। ওই দেখো ব্রহ্মাণ্ড ঝুলে আছে। ধূলি ধূসরিত সংসার। আর তার মাঝে একটা পাতকুয়ো। নিটোল জল। দরদ দিয়ে টানলে পিপাসার গান শুনতে পাওয়া যায়।

Categories
কবিতা

কুমারেশ তেওয়ারীর গুচ্ছকবিতা

ছুঁচসুতো

সেলাই শেখার পাঠ নিয়ে ব্যস্ত থাকি। যেখানে যা ছেঁড়াফাটা, শিক্ষানবিসি রাখি। আলোর পর্দার যে ফাটা অংশ দিয়ে ঢুকে আসে অন্ধকার কাল স্রোত হয়ে, সেখানে সেলাই দিই তড়িঘড়ি হাতে।